স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনাভাইরাস নিয়ে এবার দলের অন্দরে, তাই আরও সতর্ক হল রাজ্য বিজেপি। দলের সমস্ত সংগঠনকে পথে নেমে কোনও কর্মসূচি করতে নিষেধ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

যদিও বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে কারও করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর নেই। তবে কয়েকজন নেতা-নেত্রীর জ্বর হওয়ায় তারা বাড়িতেই হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বিজেপির রাজ্য দফতর থেকে কয়েক পা দূরেই পৌঁছে গিয়েছে মারণ ভাইরাস। মুরলিধর সেন লেনেই অফিসে নিয়ম করে প্রতিদিনই বহু নেতানেত্রী যাতায়াত করেন। কিন্তু সেখানেই বিপদের আশঙ্কা।

সূত্রের খবর, বিজেপির রাজ্য দফতরের উলটো দিকের গলি দিয়ে ঢুকে সোজা বাড়িটিতেই নাকি হানা দিয়েছে করোনা ভাইরাস। জানা গিয়েছে, ওই বাড়িটির তিনতলাতেই ২০১৬ সালে ছিল বিজেপির কল সেন্টার। ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য দফতরের কাছেও করোনা হানার খবর পৌঁছে গিয়েছে। ওই বাড়ির মোট সাতজন সদস্যকে পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে তাঁদের একজনেরই নমুনা পরীক্ষায় মিলেছে করোনার প্রমাণ। বাকিরা রয়েছেন কোয়ারেন্টাইনে। তাই সংক্রমণের আশঙ্কায় বাড়িটি আপাতত সিল করে দিয়েছে পুলিশ। তবে সংক্রমণের আশঙ্কায় গেরুয়া শিবিরের সৈনিকদের যেন রাতের ঘুম উড়েছে।

এদিকে, আগামী ৬ জুলাই থেকে ফের রাজ্যজুড়ে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামছে বিজেপি। ওইদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে ৬ জুলাই ভারচুয়াল জনসভা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।