আগরতলা: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের মুখে উত্তর পূর্বে বড় ধাক্কা খাচ্ছে বিজেপি। অরুণাচলে প্রদেশে যখন সরকার চালানো নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে সেই সময়েই নয়া জটিলতা দেখা দিল ত্রিপুরার সংগঠনে।

চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার কংগ্রেস যোগ দিয়েছেন ত্রিপুরা বিজেপির সহ সভাপতি সুবল ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে রাজ্য বিজেপির আরও দুই নেতাও যোগ দিয়েছেন কংগ্রেস শিবিরে। ওই দুই নেতা হলেন কিশোর দাস এবং প্রেমতোষ দেবনাথ। এদের মধযে প্রথম জন বিজেপির প্রবীণ নেতা, অপরজন বিজেপি কিষাণ মোর্চার সহ সভাপতি।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই তিন ব্যক্তিই আগে কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। পরে বিজেপি শিবিরে নাম লেখান। সুবল ভৌমিক বিজেপিতে যাওয়ার আগেন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। পরে ওই রাজ্যে তৃণমূলের অস্তিত্ব শেষ হয়ে যায় এবং সুবলবাবু বিজেপিতে নাম লেখান। এর আগে সুবলবাবু সোনামুরা কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন কংগ্রেসের টিকিটেই।

আরও পড়ুন- গোধরা কাণ্ডে অভিযুক্ত ইয়াকুবের যাবজ্জীবন সাজা আদালতের

দীর্ঘদিনের বাম জম্নার অবসান ঘটিয়ে ত্রিপুরায় পদ্ম ফুটিয়েছেন বিপ্লব দেব। তিনিই ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। বিজেপির শাসনাধীন অবস্থাতেও কেন বিরোধী কংগ্রেস যোগ দিলেন সুবল ভৌমিক। তাও আবার রাজ্য সহ সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ ছেড়ে। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, “আমি গত পাঁচ বছর ধরে বিজেপিতে ছিলাম। তার আগে ৩৫ বছর কংগ্রেস ছিলাম। এটা আমার ঘর ওয়াপাসি।”

আরও পড়ুন- যুদ্ধের উস্কানি দিয়ে ভারত সীমান্তে ফাইটার জেট মোতায়েন পাকিস্তানের

সূত্রের খবর, সুবল ভৌমিকের দল বদলের পিছনে কাজ করছে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অঙ্ক। কংগ্রেস থেকে আগত সুবল ভৌমিককে লোকসভায় প্রার্থী করতে নারাজ বিজেপি। মূলত সেই কারণেই দল ছেড়েছেন তিনি। কংগ্রেসের টিকিটে তিনি লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত।

আরও পড়ুন- মহিলা মোড়লকে মাটিতে বসতে বলে বিতর্কে কংগ্রেস বিধায়ক দিব্যা

অন্যদিকে, লোকসভা ভোটের মুখে অরুণাচল প্রদেশে বড়সড় ধাক্কা খেল পদ্ম শিবির৷ বিজেপির রক্তচাপ বাড়িয়ে দল ছাড়লেন দুই মন্ত্রী ও ছয় বিধায়ক৷ তারা সকলেই ন্যাশনাল পিপলস পার্টিতে যোগ দিয়েছেন৷ ভোটের মুখে এই দলবদল উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে বিজেপির শক্তিক্ষয় করল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷

আরও পড়ুন- ভোটে লিড দিলে দলীয় কাউন্সিলরদের ‘ইনামে’র ঘোষণা আসানসোলের মেয়রের