মালদহ : মন্ত্রী গোলাম রাব্বানীর সামনেই এবার ‘খেলা হবে’ স্লোগান তৃণমূলের। জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি বিকাশ বন্দোপাধ্যায়ের গলায় ‘খেলা হবে’ স্লোগান। আর এই স্লোগান নিয়ে রাজ্যের শাসকদল ‘সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে জেলা থেকে রাজ্যে দাবি বিজেপির।

যদিও তৃণমূলের দাবি উন্নয়ন নিয়ে মানুষ ভোট বাক্সে খেলবে বিজেপির সঙ্গে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের লাইব্রেরী মাঠের জন সভায়।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সহ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন,তাজামুল হোসেন সহ জেলা নেতৃত্ব। যদিও এদিনের অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের কর্মাধক্ষ্যদের দেখা যায়নি।

২০২১ সালের নির্বাচনের দিনক্ষন ঘোষনার আগেই তৃণমূল স্লোগান তুলেছে খেলা হবে। আর এই স্লোগান রাজ্য থেকে জেলায় এসে পৌঁছেছে। আর তারই আস্ফালন ঘটছে এখানে।

এই স্লোগানের ব্যাখ্যা দিয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বিকাশ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “আধা সামরিক বাহিনীর ফুল সামরিক বাহিনী বিজেপি ওগুলো ভয় পায়। আমাদের কোনও সামরিক বাহিনী দরকার নেই। কি করবে সামরিক বাহিনী। খেলাটা তো জমবে। ওদের যদি বলার থাকে তাহলে বল করবে, আমরা যা মারবো তাদের ৬ যাবে ৪ যাবে,ছোট স্কোর আসবেনা। ভোটাররা বাক্সে খেলবে আর আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে প্রটেকশন দেব। ব্যালটবক্সে খেলা হবে পাড়াতে খেলা হবে মিটিং মিছিলে খেলা হবে।মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এ তৃণমূলের জনসভায় এই খেলা হবে স্লোগান ওঠে।”

জেলা তৃণমূল নেতার এই বক্তব্যের তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপি। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি অজয় গাঙ্গুলী বলেন, “গোটা মালদহ জেলার তৃণমূল কর্মীরা বলতে শুরু করেছেন খেলা হবে। এবার কিন্তু খেলতে আসলে তাঁদের হাত পায়ে ব্যথা হবে। কারণ তাঁদের দলে ব্যাটসম্যান থাকতে পারে কিন্তু বিজেপির সমস্ত কর্মীরাই অলরাউন্ডার। ব্যাট বল ফিল্ডিং সমস্তটাই করতে জানে। সুতরাং খেলা হবে বলে বিজেপি কর্মীদের ভিতর-বাইরে ব্যাট বল এসব বলে ভয় দেখানো যাবে না। যদি তাঁরা খেলতে আসে যে স্লোগানটা তাঁরা তুলেছেন ভারতীয় জনতা পার্টি শেষটা খেলে, গোল করে, গোল্ডের মালা পরিয়ে মে মাসে বিদায় দেবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।