মুম্বই: অক্টোবর মাসে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপি-শিব সেনা জোট প্রশ্নের মুখে। তবে পরিস্থিতিতে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে এই সপ্তাহের শেষের দিকেই। সেই আভাসই পাওয়া গেছে শুক্রবার। বিজেপির তরফ থেকে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। এই ঘোষণা রবিবার হতে পারে বলেই এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে।

বিজেপির একজন নেতা জানিয়েছেন, বিজেপি স্বমহিমায় নিজেকে এগিয়ে রেখে ১৫০-১৫৫ সিটে জোট করে নির্বাচন লড়তে চলেছে। ২০১৪ সালে বিজেপি কোন জোট ছাড়াই বিধানসভা লড়েছিল। ২৮৮ সিটের মধ্যে ২৬০ সিটে প্রার্থী দিতে পারলেও ১২২টি সিটে জয়লাভ করে। শিব সেনা ২৮২টি সিটে প্রার্থী দিলেও ৬৩টি সিটে জয়লাভ করে।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, “মুখ্যমন্ত্রী হবে বিজেপি থেকেই। শিব সেনা থেকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার।” শিবসেনা ১২০-১২৫ সিট পেতে পারে যদি ২৮৮টি সিটকে সমান হারে ভাগ করে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী পদে পরিবর্তন চেয়ে শিব সেনা আর্জি জানালেও বিজেপির তরফে তা খারিজ করে দেওয়া হয়।

বিজেপি সেনার প্রথম বৈঠক হয়েছিল রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাটিলের বাড়িতে। সেখানে সেনা নেতৃত্বের তরফে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী সুভাষ দেশাই।

এক সিনিয়ার শিব সেনা নেতা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন একটি ফর্মুলার কথা। খুব সহজ ফর্মুলা। বিজেপি ১৬২টি আসনে লড়াই করুক। সেনা করবে ১২৬টি আসনে। (১+৬+২) যোগ করে ৯ সংখ্যাটি আসে। অন্যদিকে, (১+২+৬) যোগ করেও ৯ সংখ্যাটি আসে। সুতরাং, এটাই হওয়া উচিত জোট রসায়ন। কিন্তু কেন? শিবসেনার যুক্তি, শিবসেনার জন্য ৯ হলো ‘লাকি’ সংখ্যা। কিছু না কিছু ভালো হবেই।

শিবসেনার যুক্তি, বিজেপি কে ১৬২ টি আসন দেওয়া হয়েছে। সেই আসন থেকেই তারা অন্যান্য ছোট জোট শরিকদের আসন বন্টন করুক। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ওই দলগুলি বিজেপির জোট শরিক ছিল। বিজেপি অবশ্য সেনাকে ১১০ টি আসন দিতে চায় না। ৯৮ টি আসনের একটিও বেশি নয়। বলেছেন এক বিজেপি নেতা।