ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: ২৩শে মে জানা যাবে ফল৷ বিজেপির ভাগ্যে শিঁকে ছিঁড়ল কিনা৷ তবে তার আগেই নয়া রেকর্ডের সামনে দল৷ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে সর্বাধিক আসনে প্রার্থী দিয়েছে গেরুয়া শিবির৷ ইতিমধ্যেই ৪০৮টি লোকসভা আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তাঁরা৷ এখনও ৩০টি নাম ঘোষণা বাকি বলে জানা গিয়েছে৷ অর্থাৎ চলতি বছরের নির্বাচনে মোট ৪৩৮টি আসনে প্রার্থী দিতে চলেছে বিজেপি৷ যা কোনও রাজনৈতিক দলের নিরিখে সর্বাধিক৷

দলীয় সূত্রে খবর, কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন শাসক দল ২০১৪ সালে ৪২৮টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল৷ পরিসংখ্যান বলছে ২০০৯ সালে ৪৩৩টি আসনে, ২০০৪ সালে ৩৬৪টি আসনে, ১৯৯৯ সালে ৩৩৯টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি৷ উল্লেখ্য লোকসভার মোট আসন সংখ্যা ৫৪৩৷

বিজেপি এখনও দিল্লির সাতটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি৷ রাজ্য বিজেপিতে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই নাম ঘোষণা করা যায়নি বলে মত রাজনৈতিক মহলের৷ পাশাপাশি, দিল্লিতে কংগ্রেস-আপ জোটের ভবিষ্যতের দিকেও কড়া নজর রাখছে বিজেপি৷ সব দিক খতিয়ে দেখেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে৷

শুধু দিল্লি নয়, উত্তর প্রদেশে ৮টি আসনে এখনও প্রার্থী দেয়নি বিজেপি৷ মধ্যপ্রদেশে ইন্দোর ও ভোপাল সমেত মোট ৮টি আসনে প্রার্থী দেওয়া বাকি রয়েছে৷ পঞ্জাবে শিরোমণি অকালি দলের সঙ্গে তিনটি আসনে জোট প্রার্থী, হরিয়ানার দুটি আসনে ও রাজস্থানের একটি আসনে প্রার্থী দেওয়া বাকি রয়েছে বিজেপির৷ দিন কয়েকের মধ্যেই এই ফাঁকা আসনগুলিতে নাম ঘোষণা করা হবে বলে খবর৷

ফাইল ছবি

অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানায় কোনও জোট ছাড়াই লড়ছে বিজেপি৷ সেখানে সর্বাধিক আসনে প্রার্থী রয়েছে গেরুয়া শিবিরের৷ ২০১৪ সালে টিডিপির সঙ্গে জোট করলেও, তা বেশিদিন টেঁকেনি৷ অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা মিলিয়ে মোট ৪২টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি৷ ২০১৪ সালে মাত্র ১২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তারা৷

তবে জোটের কথা মাথায় রেখে তিনটি রাজ্য, যথা বিহার, অসম ও ঝাড়খণ্ডে কমসংখ্যক আসনে বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে৷ তবে পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি আসনেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তারা৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও