নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। প্রাণ গিয়েছে অনেকের। এই পরিস্থিতির জন্য তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল বিজেপি। মঙ্গলবার বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেন। আবেদনে তিনি সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান শীর্ষ আদালতের কাছে।

বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া বলেন, ‘‘ভোট পরবর্তী হিংসায় পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে অনেক রাজনৈতিক কর্মীর। এখনও হিংসা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে কোনও সদুত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এই বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনা প্রয়োজন। এবং মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করা উচিত।’’ শুধু সিবিআই তদন্তের দাবিই নয়, রাজ্যে ঘটে চলা হিংসার ঘটনার খতিয়ানও চেয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই সব ঘটনায় কটা এফআইআর হয়েছে আর তার পরিপ্রেক্ষিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার হিসেব দিতে হবে রাজ্যকে। এর আগে ২০১৮ -তে এ রাজ্যে এক বিজেপি নেতার মৃত্যুর পর জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন এ গৌরব ভাটিয়া।

আরও পড়ুন: ‘দেশভাগের সময় এরকম ঘটনা শুনেছিলাম’, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মন্তব্য নাড্ডার

রবিবার ভোটের ফল বেরোনোর পর বিজেপি-র তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাজ্যে একাধিক জায়গায় তাঁদের দলের কর্মীদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে খুন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করে গেরুয়া শিবির। এই অভিযোগে সোমবারই রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের ৬ জন কর্মীকে খুন করা হয়েছে। জেলায় জেলায় আমাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর হচ্ছে।” ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁকে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। টুইট করে নিজেই সে কথা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankar)। টুইটে তিনি লিখেছেন, “রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে ফোনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। হিংসা, ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ, লুঠ ও খুনের ঘটনায় আমি উদ্বেগের কথা জানিয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।”

এরপরই মোদীকে পাল্টা কটাক্ষ করে টুইট করেছেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী ‘রাজনৈতিক হিংসা’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে ফোন করেছেন (২১৪ শতাংশ অতিরঞ্জিত)। বরং কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ফোন করুন।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.