নয়াদিল্লি: গত আর্থিক বছরে রেকর্ড অঙ্কের টাকা অনুদান হিসেবে ঘরে তুলেছে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে বিজেপি ৭৪২ কোটি অনুদান হিসেবে পেয়েছে। তালিকায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে কংগ্রেসের ভাঁড়ারে গত আর্থিক বছরে ১৪৮ কোটি টাকা অনুদান উঠেছে। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরের তুলনায় গত আর্থিক বছরে বিজেপির অনুদান বেড়েছে ৪৩৭ কোটি টাকারও বেশি।

নির্বাচন কমিশনে দেওয়া তথ্যে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়! গত এক বছরে ফুলে-ফেঁপে উঠেছে বিজেপির ভাঁড়ার। ৭০% হারে বেড়েছে বিজেপির অনুদানের অঙ্ক। অনুদান হিসেবে পাওয়া টাকার অঙ্ক বেড়েছে কংগ্রেসেরও। ২০১৭-১৮ আর্থিক বছরের তুলনায় গত আর্থিক বছরের ২৬ কোটি টাকা বেশি অনুদান ঢুকেছে কংগ্রেসের ভাঁড়ারে। শতাংশের হিসেবে গত আর্থিক বছরে ৩৬% বেশি টাকা অনুদান হিসেবে পেয়েছে কংগ্রেস।

অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত আর্থিক বছরে ৪,৪৮৩টি অনুদান পেয়ে বিজেপির ভাঁড়াড়ে ঢুকেছে ৭৪২ কোটি টাকা। উল্টোদিকে ওই একই আর্থিক বছরে ৬০৫টি অনুদান পেয়ে কংগ্রেস পেয়েছে ১৪৮ কোটি টাকা। ২০ হাজার টাকার বেশি অঙ্কের অনুদানের হিসেবেই এই তথ্য উঠে এসেছে।

অ্যাসোসিয়েশন অফ ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে গত আর্থিক বছরে বিজেপির অনুদান কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম ও তৃণমূলের চেয়ে তিন গুণ বেশি। জানা গিয়েছে, বিজেপির ভাঁড়ারে ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে ১৫৭৫টি অনুদান এসেছে কর্পোরেট সেক্টর বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। গত আর্থিক বছরে কর্পোরেট সেক্টর বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিজেপির পাওয়া অনুদানের অঙ্ক ৬৯৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে ৪১ কোটি টাকা বিজেপি পেয়েছে ব্যক্তিগত স্তরে দেওয়া অনুদানের মাধ্যমে।

একইভাবে গত আর্থিক বছরে কংগ্রেস ১২২টি অনুদান পেয়েছে কর্পোরেট সেক্টর বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। কর্পোরেট সেক্টর বা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে গত আর্থিক বছরে কংগ্রেসের পাওয়া অনুদানের অঙ্ক হল ১২২ কোটি টাকা।

২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে ৪৮২টি ব্যক্তিগত স্তরে পাওয়া অনুদানের মাধ্যমে কংগ্রেসের ভাঁড়ারে ঢুকেছে ২৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে, মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, গত আর্থিক বছরে তাদের দলের পাওয়া কোনও অনুদানই ২০ হাজার টাকার বেশি নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।