স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেডের ওইতিহাসিক সমাবেশ। কলকাতার প্রাণকেন্দ্র রানী রাসমনি রোডের সেই সমাবেশে বিজেপি নেতা হিসেবে প্রথমবারের জন্য উপস্থিত থাকবেন মুকুল রায়।

রাজ্যে নেই গণতান্ত্রিক পরিবেশ। এরই মাঝে একটা শ্রেণীর মানুষকে তোষণ করে চলেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। যার কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে রাজ্যের স্বাভাবিক পরিবেশ। সেই কারণে এদিন ধর্মতলায় সমাবেসের ডাক দিয়েছিল বিজেপির বঙ্গ ব্রিগেড। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এদিনের সভায় বিজেপি নেতা হিসেবে প্রথমবার উয়পস্থিত থাকতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একদা দুই নম্বর ব্যক্তি মুকুল রায়। শুধু তাই নয়, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন মুকুল বাবু।

এদিন সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কলকাতায় আসার জন্য রনা দিয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। উত্তরবঙ্গের কর্মীদের অনেকে কাল রাতেই এসে গিয়েছে। এদিন মূলত দক্ষিণ বঙ্গের কর্মীরাই রানি রাসমনি রোডের স্মাবেশের জন্য রওনা দিয়েছেন।

নেত্রী বিভা মজুমদারের সঙ্গে বনগাঁ এলাকার কর্মীরা

উত্তর ২৪ পরগণার বারাকপুর, বনগাঁ থেকে ট্রেনে করে এসেছেন অনেক কর্মী। অনেকে সড়ক পথেও এসেছেন। বারাকপুর এলাকার হালিশহরে রেল অবরোধের জন্য বেশ প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয় অনেক কর্মীকে। একই অবস্থা হয়েছিল নদিয়ার আড়ং ঘাটা এলাকায়।

কাঁচরাপাড়া স্টেশনে ব্যারাকপুর এলাকার কর্মীরা। তখনও অবরোধ শুরু হয়নি

অন্যদিকে হুগলি জেলা বিজেপি নেতৃত্ব অভিনব কৌশল নিয়েছে সমাবেশের প্রচারের। কর্মীরা নিয়ে এসেছে বিশাল কাট-আউট। যেখানে কোথাও রয়েছে বাহুবলি কায়দায় মুকুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ফেলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে। কোথাও আবার রয়েছে, সাদা শাড়ি-হাওয়াই চটি পরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদলের কাট-আউট। শুধু মুখের জায়গায় রয়েছে মশার ছবি। প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘আমি অজানা মশা।’ হুগলী জেলা বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এদিন সভা থেকে চুঁচুড়া বিধানসভা এলাকা থেকে ১০০ জন তৃণমূল সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেবে।

হুগলী জেলা বিজেপি

বীরভূম জেলার বিজেপি কর্মীরা ট্রেনে করে এসেছে হাওড়ায়। নেতৃত্বে রয়েছেন দুধকুমার মন্ডল।

বহরমপুর স্টেশনে নেত্রী অনামিকা ঘোষের সঙ্গে কর্মীরা