হাওড়া: পুরবোর্ডের মেয়াদ গত ১০ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার পর প্রশাসক হিসেবে হাওড়ার পুর প্রশাসনের দায়িত্ব পান কমিশনার বিজিন কৃষ্ণা। এরপর বিজিন কৃষ্ণাকে চেয়ারপার্সন করে ছয়জনের প্রশাসনিকমণ্ডলী গঠন করে রাজ্য সরকারের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। মঙ্গলবার ওই প্রশাসনিকমণ্ডলীর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হল হাওড়া পুরনিগমে।

সেখানে কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়৷ জরিমানা দিয়েও আর বৈধতা পাবে না হাওড়া পুরসভা এলাকার কোনও বেআইনি বাড়ি। পুরসভার অনুমোদন করা নকসার বাইরে নির্মাণ হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, জঞ্জাল সাফাইয়ের ক্ষেত্রেও কড়া পদক্ষেপ নেবে পুরসভা। যে কারণে বোরো অফিসগুলোকেও জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজ দেখভাল করার কাজে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জঞ্জাল পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ঠিকাদার থেকে সাফাই কর্মী কিংবা জঞ্জাল বিভাগের কর্মীদের কাজের উপর পর্যবেক্ষণ করবে পুরসভা। গাফিলতি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চুক্তির ভিত্তিতে নেওয়া ৪১৯ জন কর্মীকে নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়েছে প্রস্তাব। অনুমোদন এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরসভার কমিশনার বিজিন কৃষ্ণা বলেন, প্রকাশ করা হয়েছে শ্বেতপত্র যেখানে বিগত বছরের আয় ব্যয়ের হিসাব প্রশাসনিক কমিটির কাছে রাখা হয়েছে।

এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন মন্ত্রী অরূপ রায়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, লক্ষ্মী রতন শুক্লা, প্রাক্তন মেয়র ডাঃ রথীন চক্রবর্তী, কমিটির চেয়ারপার্সন বিজিন কৃষ্ণা ও কমিটির সদস্য বিশ্ব মজুমদার।

এদিকে এদিন দুপুরে প্রশাসনিকণ্ডলীর বৈঠক চলাকালীন হাওড়া পুরসভার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। দলের যুব মোর্চা নেতা উমেশ রাইয়ের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ হয়। বিজেপির দাবি, অবিলম্বে পুরসভার প্রশাসনিকমণ্ডলীতে সব দলের প্রতিনিধিদের রাখতে হবে। বর্তমান পুর প্রশাসক শাসক দলের হয়ে কাজ করছেন। দাবি মানা না হলে এই নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে তাঁরা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ