হাওড়া : ব্রাহ্মণদের জন্য বিশেষ ভাতা আগেই চালু করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। অন্যদিকে, ভোটের আগেই পুরোহিতদের ভোট নিজেদের দিকে আনতে মরিয়া গেরুয়া শিবিরও। কারণ বামেরা আবার আইএসএফের সঙ্গে জোট গড়ে ধর্মনরপেক্ষতার বার্তা দিতে চেয়েছেন। সেভাবে দেখতে গেলে দুই সম্প্রপদায়ের সমান ভোট চান তারা এবং সবার জন্য সমান কাজ করবেন, যদি ক্ষমতায় আসেন।

হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে উলুবেড়িয়ার মনসাতলায় বিজেপি জেলা কার্যালয়ে পুরোহিত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত পুরোহিতদের বরণ করেন মহিলা সদস্যারা। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া গ্রামীণ জেলা বিজেপির সভাপতি প্রত্যুষ মন্ডল সহ অন্যান্যরা।

পুরোহিতরা রাজনীতির অঙ্গ হতে শুরু করেছিলেন বছর দিনেক আগেই। তখন দুয়ারে লোকসভা ভোট ছিল। অনুব্রত মণ্ডল এক বিশাল পুরোহিত সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন বীরভূমে। এরপর বিজেপিও একটি এমন সম্মেলন করেছিল পালটা দিতে। এরপর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ফলাফল মোটেই ভালো হয়নি। ২২টি আসন তাঁরা পেয়েছিল, ১৮ আসন নিয়ে যায় বিজেপি। এরপরে ফের রাজ্যব্যাপী পুরোহিতদের ‘একত্রিত’ করার লক্ষ্যে রানি রাসমণি রোডে সম্মেলনের কর্মসূচি নেয় তৃণমূল। সেই সময়েই বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দু ভোটকে মাথায় রেখেই এটা করা হয়েছিল বলে মনে করছিল রাজনৈতিক মহল। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তখন ঘোরতর বিজেপি বিরোধী।

মূলত রানি রাসমণি রোডে সমাবেশ করে ‘পশ্চিমবঙ্গ সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্ট’ নামের একটি সংগঠন। পুরোহিতদের ভাতা দেওয়া থেকে শুরু করে রাজ্যের দিকে দিকে টোল তৈরি, সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠা, ব্রাহ্মণদের চাকরিতে বিশেষ সুযোগ দেওয়া-সহ ন’দফা দাবি নিয়ে এ দিন সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ও প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেই সময়ে বলেছিলেন পুরোহিত সমাজের পাশে থাকতেই তিনি উপস্থিত হয়েছেন ওই সমাবেশে। সেই সম্মেলনে বক্তৃতায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ‘জেলায় জেলায় আপনারা সংগঠন গড়ুন। আমরা পাশে আছি। যারা রাজনীতির নামে রামকে এজেন্ট বানিয়ে ফেলেছে, তাদের বিশ্বাস করবেন না।’

লোকসভা ভোটের আগে থেকেই তৃণমূল দাবি করছিল, বিজেপি এ রাজ্যে মেরুকরণের রাজনীতি করছে। আবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিশেষ এক সম্প্রদায়ের প্রতি ‘তোষণে’র অভিযোগ তুলেছে বিজেপিও। রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে ‘ইমাম ভাতা’র প্রসঙ্গ। তৃণমূলও বিভিন্ন ভাবে বিজেপির অভিযোগের মোকাবিলার চেষ্টা করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।