স্টাফ রিপোর্টার, জয়নগর: পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা পায়নি। উল্টে জয়ী হয়েছেন গেরুয়া শিবিরের একাধিক প্রার্থী৷ স্বভাবতই, বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগণার জয়নগর থানার অন্তর্গত ঢোসা চন্দনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম শ্যামনগর গ্রামে। অভিযোগ, কেন তারা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন এই প্রশ্ন তুলে একের পর এক বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় পুলিশ। অভিযোগ, ঘটনার পর এলাকা থেকে পাঁচ বিজেপি কর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে৷

সদ্য শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে দক্ষিণ ২৪ পরগণার জয়নগর থানার ঢোসা চন্দনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কুড়িটি আসনের মধ্যে বিজেপি আটটি আসনে জয়লাভ করে৷ বিজেপির সমর্থন নিয়ে এসইউসিআই ও সিপিএম একটি করে আসন জয়লাভ করে। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পাওয়ায় এলাকায় গত দুদিন ধরেই বিজেপি কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ভোটের আগে থেকেই এই এলাকায় পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছে। ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে একাধিকবার অত্যাচার করেছে। এলাকায় বিজেপি করা যাবে না বলে হুমকিও দিয়েছে। শনিবার বিকেলে আচমকা জয়নগর থানার পুলিশ ওই এলাকার পশ্চিম শ্যামনগর, গোবিন্দপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হানা দেয়। অভিযোগ একের পর এক বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। বাড়ির ধান, চাল বাইরে ফেলে তাতে কেরোসিন তেল ঢেলে দেয়। এমনকি বাড়িতে রাখা সোনার গহনা ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

যদিও জয়নগর থানার পুলিশ অভিযোগ মানতে নারাজ। জয়নগর থানার আইসি শান্তনু বসু বলেন, “ভোটের দিন এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস করেছে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু দুষ্কৃতি। সেই কারণেই ওই এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে৷ তবে বাড়িঘর লুটপাট বা ভাঙচুর করা হয়নি। এলাকায় তৃণমূল, বিজেপি সব পক্ষের বাড়িতেই তল্লাশি হয়েছে৷” পুলিশ অভিযোগ মানতে না চাইলেও পুলিশ যে কিভাবে এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাঠ চালিয়েছে সেই ছবি ধরা পড়েছে মোবাইল ক্যামেরায়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ