কলকাতাঃ  একদিকে বামেদের ডাকা ভারত বনধ ঘিরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ঠিক তখনই কলকাতার বুকে মিছিল বিজেপির। মাঝেরহাট ব্রিজ অবিলম্বে চালুর দাবিতে বিশাল মিছিল করে বিজেপি। কিন্তু সেই মিছিল তারাতলা পৌঁছতেই তা আটকে দেয় পুলিশ। আর সেখানেই পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের প্রবল ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

মুহূর্তের মধ্যে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। পুলিশের লাঠির আঘাতে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

এদিনের মিছিলে একদম সামনেই ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। মূলত তাঁর নেতৃত্বেই বিশাল এই মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। তারাতলা মোড় থেকে মাঝেরহাট ব্রিজ পর্যন্ত মিছিল যাওয়ার কথা ছিল এই মিছিল।

কিন্তু তারাতলা থেকে মিছিল কিছুটা এগোতেই মাঝপথে তা আটকে দেয় পুলিশবাহিনী। আর সেখানেই বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশের দেওয়া গার্ড রেল ছুঁড়ে ফেলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। শুধু তাই নয়, পুলিশ লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয় বলেও অভিযোগ।

মুহূর্তের মধ্যে একেবারে অগ্নিগর্ভ চেহারা নেয় পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির ঘায়ে বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।