স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর নির্দেশে বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে রথযাত্রার আয়োজন করতে চলেছে বিজেপি। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রে পৌঁছবে রথযাত্রা। সেই রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন বিজেপি রাজ্য ও কেন্দ্রের নেতারা।

বিজেপির নজরে এখন বাংলা। আসন্ন বিধায়নসভা ভোটে সাফল্যের লক্ষ্যে সাংগঠনিকস্তরের একাধিক আদলবদল করেছে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। গত শুক্রবার দিল্লিতে অমিত শাহের বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা। রাজ্যের তরফে বৈঠকে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়। সেখানেই রথযাত্রা আয়োজনের সিদ্ধান্তে শিলমোহর পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপি সূত্রের খবর, মোট ৫টি রথযাত্রা আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে তারা। ইতিমধ্যে ভোটের আগে সংগঠনকে চাঙ্গা করতে রাজ্যকে ৫টি জোনে ভাগ করে ৫ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই ৫টি জোনে হবে এক একটি রথযাত্রা। জোনের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র স্পর্শ করে যাবে রথযাত্রাগুলি। তাতে থাকবেন কেন্দ্র – রাজ্য ও স্থানীয় নেতারা।

লালকৃষ্ণ আদবানীর ১৯৯২ সালের ‘রাম রথযাত্রা’ এখনও জাতীয় রাজনীতিতে আলোচ্য বিষয়। এই রথযাত্রাই প্রচারের আলোয় এনেছিল বিজেপি ও আদবানীকে। এরপর দেশের নানা প্রান্তে নানা উদ্দেশ্যে রথ বের করেছে পদ্মশিবির। এবার সেই কৌশল তারা প্রয়োগ করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গেও।

তবে শুরু এবারের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই নয়, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেও রথযাত্রার পরিকল্পনা করেছিল বিজেপি। কিন্তু সেখানে প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি। মামলা হয়েছিল হাইকোর্টে।

সরকার আদালতে বলেছিল, রথযাত্রার যে সূচি তৈরি করা হয়েছে, তাতে জায়গায় জায়গায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে। এব্যাপারে রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে গোয়েন্দা রিপোর্টের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির সেই কর্মসূচি বাধা পায়। তবে এবারের কর্মসূচি নিয়ে নবান্ন কী করে এখন সেটাই দেখার।

এদিকে বিজেপি সূত্রে খবর, ২৩ জানুয়ারি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।