ফাইল ছবি

কলকাতা: বেলেঘাটায় (Beleghata)বিজেপির (BJP)পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ৷ কাঠগড়ায় তৃণমূল (TMC)৷ যদিও এই বিষয় শাসক দলের প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি৷

সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বেলেঘাটার চড়কডাঙায় উত্তেজনা৷ বোমাবাজি, বিজেপির পার্টি অফিস ভাঙচুর ও মহিলা কর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ৷ এই ঘটনায় শাসক দল জড়িত বলে অভিযোগ বিজেপির৷

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী৷ ওই এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট৷

বেলেঘাটার ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা কমিটির সভাপতি শঙ্কর সিকদার বলেন, “সারা কলকাতায় আমাদের কর্মী সমর্থকদের সংখ্যা রোজই বাড়ছে। তাতেই আতঙ্কিত হয়ে তৃণমূল এই আক্রমণ চালিয়েছে।”

এর আগে বিজেপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়ুয়া পাড়া এলাকায়।

অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির ওই কার্যালয়ে ভাঙচুর করে ব্যানার ফেস্টুন ছিঁড়ে দিয়েছে।

এই বিষয়ে জগদ্দলের বিজেপি নেতা সৌরভ সিং বলেছিলেন, “তৃণমূলের কিছু সমাজ বিরোধী যারা এলাকায় মদ, গাঁজার আসর বসায় তারা আমাদের দলীয় কার্যালয় ভেঙেছে । অভিযুক্তদের সবার নাম আমাদের কাছে আছে । ওদের বলব আর কিছু দিনের অপেক্ষা । বিজেপি ক্ষমতায় আসলে ওরা কেউ জেলের বাইরে থাকবে না ।” যদিও ওই ঘটনার দায় সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিল তৃণমূল ।

ভাটপাড়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর সত্যেন রায় বলেছিলেন, “আমরা ওদের কোন পার্টি অফিসে হামলা, ভাঙচুর করি না । ওদের নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে । নিজেরাই মারপিট করে আমাদের ঘাড়ে দোষ দিচ্ছে ।

স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেছিল, বিজেপির কেউ আক্রান্ত হলে ওরাও ছাড়া পাবে না । ওরা ইঁট মারলে আমরা কি রসগোল্লা, ফুল ছুঁড়ব ? পাটকেল খেতেই হবে । সৌরভ সিং নোংরা রাজনীতি করছে, ওর বাবা প্রয়াত ভীম সিং ভাল মানুষ ছিল ।” জগদ্দল থানায় এই ঘটনার অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি কর্মীরা।

উল্টো ঘচনা ঘটেছিল নন্দীগ্রামে৷ তৃণমূলের পার্টি অফিসে ভাঙচুর লুঠপাট৷ অভিযোগের তীর বিজেপির দিকে। ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল এলাকায়। অভিযোগ,নন্দীগ্রামের মহাম্মদপুরে তৃণমূলের বুথ পার্টি অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছিল বিজেপির কর্মীরা। ভাঙচুর চালানোর সময় পার্টি অফিসের আশেপাশে থাকা মানুষজন বেরিয়ে এলে ভাঙচুরকারীরা পালিয়ে গিয়েছিল।

তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান অভিযোগ করে বলেছিলেন, শান্ত নন্দীগ্রামকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে সাম্প্রদায়িক দল বিজেপি। অন্যদিকে এই ঘটনায় নন্দীগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ৷

নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা প্রলয় পাল অবশ্য বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.