স্টাফ রিপোর্টার,বারাকপুর: বিজেপির অভিনন্দন মিছিল শেষ হতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাল্টা দিতে পথে নামল তৃণমূল। সোমবার বিকেলে নৈহাটি শহরে প্রায় ৫হাজার তৃণমূল কর্মী এবং সমর্থক মিলে এনআরসি এবং সিএএ বিরোধিতায় মিছিল বের করেন। এদিকে গত রবিবারই নৈহাটিতে এসে দিলীপ ঘোষ এবং অর্জুন সিং সহ বিজেপি কর্মী সমর্থকরা মিলে সিএএ ও এনআরসি’র সমর্থনে অভিনন্দন যাত্রা কর্মসূচি পালন করে গিয়েছিল।

সোমবার নৈহাটির তৃণমূল বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের নেতৃত্বে, সিএএ, এনপিআর এবং এনআরসি বিরোধী মিছিল বের হয়। এদিকে, রবিবার বিজেপির কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সেদিন কাঠগোলা মোড় থেকে সাহেব কলোনি পর্যন্ত অভিনন্দন যাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল বিজেপির তরফ থেকে। তার ঠিক ২৪ ঘন্টার মধ্যেই নৈহাটি শহরে তৃণমূলের তরফ থেকেও আয়োজন করা হয় এই এনআরসি ও সিএএ বিরোধী পদযাত্রা কর্মসূচি।

এদিনের পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, নৈহাটির বিধায়ক তথা পরিষদীয় সচিব পার্থ ভৌমিক, নৈহাটি পৌরসভার পৌরপ্রধান তথা শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অশোক চট্টোপাধ্যায়, নৈহাটি পৌরসভার পৌর পরিষদ তথা যুব তৃণমূল কংগ্রেস নৈহাটি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সনৎ দে, বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক সুবোধ অধিকারী সহ অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরা ।

নৈহাটির বিধায়ক তথা পরিষদীয় সচিব পার্থ ভৌমিক জানান, “এন আর সি ও সিএএ’র বিরুদ্ধে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধের কারনেই মানুষই রাস্তায় নেমেছে। গতকাল নৈহাটির সাংস্কৃতিক পরিবেশ দূষিত হয়ে গিয়েছে কোনও কোনও মানুষের পায়ের স্পর্শে। নৈহাটির সেই দূষিত পরিবেশকে দূষণমুক্ত করা হচ্ছে এই মিছিলের মাধ্যমে।”

তিনি আরও জানান, “দিলীপ ঘোষ বেশি বললে তৃণমূলের তাতে লাভ। আমি চাই প্রতিমাসে দিলীপ ঘোষ নৈহাটিতে আসুক, তাতে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আরও বৃদ্ধি পাবে।”