নয়াদিল্লি: রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। জল্পনা ছিল আগে থেকেই। বুধবার বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার নাম ঘোষণা করা হল।

আগেই শোনা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদ দেওয়া হবে সিন্ধিয়াকে। আর সেইজন্যই সম্ভবত তাঁকে রাজ্যসভায় নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এছাড়াও রাজ্যসভায় প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি, তাঁরা হলেন, অসম থেকে ভুবনেশ্বর কালিতা, বিহারের বিবেক ঠাকুর, গুজরাতের অভয় ভরদ্বাজ ও রমিলাবেন বারা, ঝাড়খণ্ডের দীপক প্রকাশ, মণিপুর লিএসেংবা মহারাজা, মহারাষ্ট্রের উদয়না রাজে ভোঁসলে ও রাজস্থানের রাজেন্দ্র গেহলট।

এছাড়াও রাজ্যসভায় প্রার্থী হিসেবে যাদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি, তাঁরা হলেন, অসম থেকে ভুবনেশ্বর কালিতা, বিহারের বিবেক ঠাকুর, গুজরাতের অভয় ভরদ্বাজ ও রমিলাবেন বারা, ঝাড়খণ্ডের দীপক প্রকাশ, মণিপুর লিএসেংবা মহারাজা, মহারাষ্ট্রের উদয়না রাজে ভোঁসলে ও রাজস্থানের রাজেন্দ্র গেহলট।

এমনটাই শোনা যাচ্ছে যে, রাজ্যসভায় সিন্ধিয়াকে পাঠাতে নারাজ ছিলেন কমল নাথ। আর সেই সুযোগেরই সদ্ব্যবহার করেছে বিজেপি। মাস ছয়েক আগেই কংগ্রেস সিন্ধিয়াকে রাজ্যসভার প্রার্থী করতে আপত্তি জানায়। তখন থেকেই শুরু হয় বিজেপির আনাগোনা।

৩১ বছর বয়সে প্রথম সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। এরপর প্রথম ও দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের আমলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদও সামলেছেন তিনি। তাই তাঁকে ঘিরে বিশেষ উৎসাহ ছিল মোসী-শাহদের।

তবে, এখনও পর্যন্ত অন্যান্য বিধায়কদের বিজেপি যোগ দেওয়া নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। মঙ্গলবার দলত্যাগ করেন অন্তত ২২ জন। তাঁরা প্রত্যেকেই সিন্ধিয়ার সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে অনেকেই জানিয়েছেন যে তাঁরা ‘মহারাজে’র সঙ্গে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে থাকবেন না।

আজ বুধবার কমল নাথ শিবিরের বিধায়কদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রাজস্থানে। সেখানকার বুয়েনা ভিস্তা রিসর্টের ৫২টি ঘরের মধ্যে ৪২টিই বুক করে নিয়েছে কংগ্রেস। দলে রয়েছেন ৯২ জন বিধায়ক। বাকি ঘরগুলিও খালি হলেই কংগ্রেসের তরফে বুক করে নেওয়া হবে বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর। গত বছর মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে সংঘাতের সময়ও কংগ্রেসের বিধায়কদের এই হোটেলেই রাখা হয়েছিল।