ব্যারাকপুর (উত্তর ২৪ পরগনা): বিস্ফোরক বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। ভোটের ফল ঘোষণার পর সংঘর্ষে যখন রাজ্য উত্তপ্ত তখন দলের নেতাদের প্রতি বার্তা দিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ। তাঁর বার্তায় রাজনৈতিক মহল সরগরম।

অর্জুন সিং বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস জেতার পর যে সন্ত্রাস শুরু হয়েছে তাতে আমাদের এখনই বড় একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমার মতে আমরা যখন জনপ্রতিনিধি হয়েও মানুষ কে বাঁচাতে না পারি তাহলে আমাদের বিজেপি দলের জন প্রতিনিধিদের সাময়িক পদত্যাগ করা উচিত। কারন বাংলায় নিরঙ্কুশ শাসন আছে এখানে কোন গণতন্ত্র নেই। আমাদের পার্টি যদি সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমরা আগামী দিনে রাজ্যপালের সামনে বা রাষ্ট্রপতির সামনে আমরণ অনশনে বসব।” নির্বাচনের পর যে গণ্ডগোল শুরু হয়ে হয়েছে তার প্রেক্ষিতে এদিন সাংবাদিক দের কাছে এই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বিশেষ করে ব্যারাকপুর ও সংলগ্ন বিধানসভায় বিজেপি আশাব্যঞ্জক কোনও ফল করতে পারেনি। লোকসভা ভোটের ধাক্কা সামনে তৃণমূল কংগ্রেস ফের নিজের শক্তি দেখিয়েছে। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই চলছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ।

ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতিরা। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার দুপুরে প্রত্যেক আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন ব্যারাকপুর সাংসদ অর্জুন সিং। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে টিএমসি।

ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়লাভ করেছে। এই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভাটপাড়া পৌর এলাকার একাধিক এলাকায় বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে ফল ঘোষণার পর থেকে। বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ভাঙচুর চালাচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ বিজেপির।

ভাটপাড়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় সোমবার গভীর রাতে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা হয়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে মঙ্গলবার সবার বাড়িতে যান ব্যারাকপুরে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি তে যোগ দেন অর্জুন সিং। তাঁর দল বদলের পর এলাকায় তৃণমূল বিজেপি সংঘর্ষ প্রবল আকার নেয়। গত লোকসভা ভোটের পর থেকে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বোমাবাজিতে ভাটপাড়া ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা সন্ত্রস্ত। বিধানসভা ভোটের আগে থেকেই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সর্বত্র চলছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.