নয়াদিল্লি: তিনি রাঁধেন, আবার চুলও বাঁধেন৷ হেমাকে দেখে অনেকে তেমনটাই বলছেন৷ কারণ অভিনয়, সংসারের পাশাপাশি রাজনৈতিক ময়দানেও সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন তিনি৷ আর এবার স্বচ্ছ ভারত অভিযানে ঝাঁটা হাতে রাস্তায় নামলেন তিনি৷ আবার তাঁর এই কাজকেই কটাক্ষও করছেন অনেকে৷

শনিবার সকালে সংসদ চত্বর ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করতে দেখা গেল অভিনেত্রী-বিজেপি সাংসদ হেমা মালিনী এবং কেন্দ্রীয় অর্থপ্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর৷ আর তাদেরকে দেখতে ভিড় জমালেন আরও অনেকে৷ এদিন হেমার পরনে ছিল কুর্তা এবং কালো ট্রাউজার৷ আর সঙ্গে ঝাঁটা৷ যা দিয়ে স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সংসদ চত্বর পরিষ্কার করলেন তিনি৷ একই কাজ করতে এগিয়ে এলেন অনুরাগ ঠাকুরও৷

প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ফের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি৷ জয়ের মুখ দেখেছেন হেমার মতো আরও অনেকেই৷ গত মাসেই সংসদে শপথ নিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে৷ তবে সেখানেও এক অন্যরকম ছবি দেখা গিয়েছিল৷ অনেকেই যাকে নাটক বলে মনেও করেছেন৷ ‘জয় শ্রী রাম’, ‘জয় হিন্দ’, ‘আল্লা হু আকবর’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে সংসদ৷ আনুষ্ঠানিকভাবে সাংসদ হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এই সব ধর্মীয় স্লোগানই শোনা যায় বিভিন্ন দলের সাংসদদের মুখে৷ স্লোগান শোনা যায় হেমা মালিনীর মুখেও৷ তবে একটু ভিন্ন ধরনের৷

বঙ্গ বিজেপির সাংসদদের মতো ‘জয় শ্রী রাম’ উচ্চারণ না করলেও হেমা ‘রাধে রাধে’ বলেই শপথবাক্য শেষ করেন তিনি৷ বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মথুরার সাংসদ৷ প্রসিদ্ধ হিন্দুতীর্থ মথুরা কৃষ্ণের শহর বলেই পরিচিত৷ এখানে কৃষ্ণভক্তরা ‘রাধে রাধে’ বলেই একে অপরকে অভিবাদন জানান৷ সেই পরম্পরা বজায় রাখেন হেমা৷

পড়ুন: জোটের জট অব্যাহত, আজই সরকার ভাঙতে পারেন কুমরাস্বামী

শপথ পাঠ শেষ হতেই ‘রাধে রাধে’, ‘কৃষ্ণ বন্দে’, ‘জগত গুরু’ ইত্যাদি ধ্বনি শোনা যায় তাঁর মুখে৷ পিছনে বসা অন্যান্য সাংসদরাও হেমার তালে তাল মিলিয়ে তারস্বরে ‘রাধে রাধে’ বলে ওঠেন৷ উত্তরপ্রদেশের মথুরা লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার সাংসদ হন হেমা মালিনী৷ রাষ্ট্রীয় লোক দলের প্রার্থী নরেন্দ্র সিংকে হারান তিনি৷