মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুতের তদন্তের রোজ নতুন তথ্য উঠে আসছে। সোমবার সকালে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ফের এক বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তিনি দাবি করলেন যে মৃত্যুর দিন অর্থাৎ ১৪ জুন সুশান্ত দেখা করেছিলেন দুবাইয়ের একজন ড্রাগ ডিলার আয়াশ খানের সঙ্গে।

বিজেপি নেতা ট্যুইট করে জানিয়েছেন যে, সুনন্দা পুস্করের মৃত্যুর পরে ময়নাতদন্তের সময় তার পেটে যা পাওয়া গিয়েছিল সেটাই তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু শ্রীদেবী এবং সুশান্ত সিং রাজপুত এর ক্ষেত্রে সেটা করা হয়নি। সুশান্তের মৃত্যুর দিন তার সঙ্গে দেখা করেছিলেন দুবাইয়ের ড্রাগ ডিলার আয়াশ খান। সুব্রহ্মণ্যম স্বামী প্রশ্ন তুলেছেন কেন দেখা করেছিলেন তিনি?

গত সপ্তাহেও সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে দুবাইয়ের কোন যোগ রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তিনি বলেছিলেন যে সিবিআইয়ের আরো কয়েকটি হাইপ্রোফাইল মামলার তদন্ত খতিয়ে দেখা উচিত। শ্রীদেবীর মৃত্যুর তদন্ত খতিয়ে দেখার দাবি করেছেন তিনি।

তিনি টুইট করেছিলেন, “আরব এবং ইজরায়েলের রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে বিপদে পড়তে চলেছে ভারতীয় দুবাইয়ের দাদারা। তিনজন খানেরও বিপদ ঘনিয়ে আসছে। সুশান্ত, শ্রীদেবী এবং সুনন্দা পুষ্করের তদন্ত খতিয়ে দেখতে মোসাদ এবং শিন বেথ এর সাহায্য নেওয়া উচিত সিবিআইয়ের।” গত ২০ অগাস্ট এই টুইট করেছিলেন বিজেপি নেতা।

প্রসঙ্গত ১৪ জুন মৃত্যু হয় সুশান্ত সিং রাজপুতের। মুম্বই পুলিশ প্রথমেই জানিয়েছিল যে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন এবং বহুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। কিন্তু তারপরে নানাদিক থেকে নানারকম তথ্য উঠে আসে। এই মুহূর্তে এই তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে।

অন্যদিকে ২০১৮-র ফেব্রুয়ারিতে দুবাইয়ের এক হোটেলে মৃত্যু হয় শ্রীদেবীর। হোটেলের বাথটাবে দূর্ঘটনাবশত ডুবে গিয়েছিলেন বলে তার মৃত্যু হয়েছে এমন জানানো হয়। ২০১৭-র জানুয়ারিতে দিল্লির হোটেলে রহস্য মৃত্যু হয় সুনন্দা পুষ্করের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।