তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: মহিলাদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার গত বছর থেকেই কমিয়ে দিয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিনের দাম। এবার বিশ্ব নারী দিবসের আগে সেই স্যানিটারি ন্যাপকিন বিক্রি করলেন বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার।

শনিবার ছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনৌষধি প্রকল্পের প্রতিষ্ঠা দিবস। আর সেই উপলক্ষ্যে, এদিন বাঁকুড়ার সারেঙ্গায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন তিনি। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন করা এই প্রকল্পে ভারতবাসী কিভাবে উপকৃত হচ্ছেন তার বিস্তারিত ব্যখা করেন সাংসদ। পাশাপাশি জনৌষধি কেন্দ্র থেকে যে সমস্ত ব্যক্তিরা ঔষধ কিনে লাভবান হচ্ছেন এবং শারিরীক ভাবে সুস্থ আছেন তাঁদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। শুধু তাই নয়, মহিলাদের কেন স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করা প্রয়োজন তার ব্যখ্যাও করেন তিনি এদিন।

এরপর সাংসদ নিজের হাতে বিক্রি করলেন ন্যপকিন। লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে কিনলেন সকল মহিলারা। বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত এলাকায় এ যেন এক ব্যতিক্রমী চিত্র। যেখানে এখনও সমাজে স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনা নিয়ে জড়তা রয়ে গিয়েছে। সেখানে খোদ সাংসদের এহেন ভূমিকা সতিই প্রশংসনীয়। কারণ, দোকান থেকে ন্যপকিন কিনলে খবরের কাগজে মুড়ে বা কালো পলিথিনে নিয়ে যাওয়ার ছবি দেখতেই আমরা অভ্যস্ত, সেখানে প্রকাশ্যে মহিলাদের ন্যপকিন কেনার চিত্র সত্যিই ব্যতিক্রমী।

 

প্রসঙ্গত, এখনও গ্রামীণ ভারতের বহু মহিলাই মাসিকের সময়ে কাপড় ব্যবহার করেন। তার প্রাথমিক কারণ, দামি স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনার মতো সংস্থান তাঁদের নেই। এবং দ্বিতীয়ত, এখনও স্যানিটারি ন্যাপকিন ঘিরে মনের মধ্যে থেকে গিয়েছে অনেক ধোঁয়াশা। এই সময়ে কাপড় বা অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর জিনিসের ব্যবহার মহিলাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেয়। এমনকি স্কুলছুট হয় বহু কিশোরী। গ্রামীণ ভারতে ২৩ শতাংশ কিশোরী স্কুল ছাড়ার কারণ হিসেবে পিরিয়ডস দেখিয়েছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভের চতুর্থ দফায় দেখা গিয়েছে গ্রামীণ ভারতে আজও স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন মাত্র ৪৮.২ শতাংশ মহিলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।