ভোপাল : শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করেছিল বিজেপি। মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের ভোপালে এই বৈঠক চলার মাঝেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন ভোপালের বিজেপি সাংসদ সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর।

রবিবারই নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে কংগ্রেসকে দোষারোপ করেছিলেন প্রজ্ঞা। উল্লেখ্য দিল্লির এইমস হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। দুদিন আগেই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন ভোপাল লোকসভা আসনের বিজেপি সাংসদ প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। রবিবার তিনি দাবি করেন কংগ্রেস তাঁর ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। এর জন্য তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। উল্লেখ্য মে মাসে এইমস-এ ভর্তি ছিলেন প্রজ্ঞা ঠাকুর। চোখ ও ক্যানসারের চিকিৎসা সেখানে চলছিল বলে দাবি বিজেপির।

রবিবার প্রজ্ঞা ঠাকুর যোগ দেন আন্তর্জাতিক যোগা দিবসে। রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ঠাকুর জানান তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি ভালো নয়। রেটিনা ক্ষতিগ্রস্থ। এসবের মূলে রয়েছে কংগ্রেসের আমলে অত্যাচার বলে দাবি করেন তিনি।

কংগ্রেসের আমলে দীর্ঘ নয় বছর তাঁর ওপর অত্যাচার চলেছে বলে জানিয়ে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর বলেন তাঁর শরীরে কংগ্রেসের নির্যাতনের বহু চিহ্ন রয়েছে। তাঁর ডান চোখে দৃষ্টি শক্তি ক্ষীণ, আর বাম চোখে দৃষ্টি হারিয়েছেন। এসবই কংগ্রেসের অত্যাচারের ফল বলে জানান তিনি।

এর আগেও এই ধরণের মন্তব্য করেছেন সাধ্বী প্রজ্ঞা৷ তিনি বলেছিলেন, তাঁর অভিশাপেই জঙ্গিদের হাতে শহিদ হয়েছে ছিলেন মুম্বই সন্ত্রাসদমন শাখার প্রধান হেমন্ত কারকারে৷ একজন শহিদ দেশের গর্ব৷ তাঁকে নিয়ে এই ধরণের নিম্ন মানের মন্তব্য কি করে কোনও নেতা করতে পারেন? সেই প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধী শিবির৷ তবে তাতে বিশেষ কিছু হেলদোল ছিল না প্রজ্ঞার৷ হেমন্ত কারকারেকে তিনি নাকি বলেছিলেন তাঁর সর্বনাশ হবে৷ সেই অভিশাপেই মৃত্যু হয় হেমন্তের৷

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ২৯ডিসেম্বর মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ে বিস্ফোরণে ৭জন প্রাণ হারায়, আহত হয় ১০০-এরও বেশি৷ আর এই ঘটনার ষড়যন্ত্রেই অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসে সাধ্বী প্রজ্ঞার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।