নয়াদিল্লি: ফের এক সাংসদের রহস্যমৃত্যু। দিল্লিতে নিজের বাড়ি থেকে বিজেপি সাংসদ রাম স্বরূপ শর্মার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হিমাচল প্রদেশের মান্ডির সাংসদ রাম স্বরূপ শর্মার মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র। বুধবার হিমাচল প্রদেশে দলের যাবতীয় কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে। হিমাচলের এই বিজেপি সাংসদ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।

সংবাদসংস্থা এএনআই-এর খবর অনুযায়ী, সাংসদের বাড়ি থেকেই দিল্লি পুলিশের কাছে খবর পৌঁছোয়। যে ঘর থেকে সাংসদ রাম স্বরূপ শর্মার মৃতদেহ উদ্ধার হয় সেই ঘরটি ভিতর থেকে বন্ধ করা ছিল। এদিন সাংসদের বাড়িতে থাকা এক কর্মীই প্রথমে পুলিশে খবর দেন। তিনিই বিজেপি সাংসদ রাম স্বরূপ শর্মাকে ঘরের ভিতরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তবে ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ থাকায় বিপত্তি হয়। পুলিশে খবর দেন ওই ব্যক্তি। পুলিশ এসে ঘরের দরজা খুলে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশের মান্ডির ওই বিজেপি সাংসদ কিছুদিন ধরেই ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল। দুবার মান্ডি থেকে বিজেপির সাংসদ হিসেবে নির্বাচনে জিতেছিলেন রাম স্বরূপ শর্মা। তাঁর স্ত্রী ও পুত্র বর্তমান।

এদিকে, এদিন সকালে সাংসদের রহস্যমৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজধানীতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃত সাংসদের রাজ্যের আরও এক সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর ঘটনার খবর পেয়েই পৌঁছে যান রাম স্বরূপ শর্মার বাড়িতে। এদিকে, হিমাচল প্রদেশের মান্ডির সাংসদের অকাল মৃত্যুতে শোকাহত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‘মান্ডির সাংসদ রাম স্বরূপ শর্মার অকালমৃত্যুর খবর শুনে আমি হতবাক ও গভীরভাবে দুঃখিত। তিনি একজন নিখুঁত ভদ্রলোক ছিলেন৷ তাঁর সঙ্গে আমার অনেক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার একাধিক সুন্দর স্মৃতি ছিল। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি। ঈশ্বর তাঁর পরিবারকে এই বেদনা থেকে মুক্ত হতে শক্তি দিন।’’

অন্যদিকে, হিমাচল প্রদেশের সাংসদের রহস্যমৃত্যুতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই সাংসদ আত্মহত্যা করেছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সাংসদের বাড়ির প্রত্যেক সদস্যদের সঙ্গে আলাদাভাবে পুলিশ কথা বলছে। তাঁদের থেকেই সাংসদের সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। প্রয়োজনে সাংসদের সহকর্মীদের সঙ্গেও তদন্তের স্বার্থে পুলিশ কথা বলতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.