স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: করোনা মহামারীতে ত্রস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণের জেরে মালদহ জেলাকে রেড জোন ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই পরিস্থিতিতে জেলা জুড়ে শুরু হয়েছে করোনা আতঙ্ক। ইতিমধ্যে দুজনের শারীরিক পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে।

করোনা নিয়ে এবার রাজ্যের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুললেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। এরই পাশাপাশি রেশনে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেও রাজ্যকে একহাত নিয়েছেন এই বিজেপি সাংসদ।

কেন্দ্রীয় সরকারের রেশন সামগ্রী মানুষের কাছে ঠিকমতো পৌঁছোচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপির। রাজ্যের শাসকদল রেশন সামগ্রী লুঠ করছে বলে অভিযোগ বিজেপি নেতাদের। উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু শনিবার জেলাশাসকের সঙ্গে দেখা করে এই একই অভিযোগ জানিয়েছেন।

লকডাউন চলাকালীন রাজ্যের অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি মালদহ জেলাজুড়েও চলছে দুঃস্থদের ত্রাণ বিলি কর্মসূচি। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পাশাপাশি সম্প্রতি এনএফ রেলওয় মজদুর ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও মালদহ স্টেশন চত্বরে কুলি ও দুঃস্থদের খাদ্য সামগ্রী বিলি করা হয়।

মালদহের হরিশচন্দ্রপুর চাঁচল ও বৈষ্ণবনগর লাগোয়া বিহার-ঝাড়খন্ড সীমানাগুলিতে বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে। বহিরাগতদের ঢোকা আটকাতে তৎপর রয়েছে পুলিশ। এরই পাশাপাশি করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে মালদহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে।

উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর অভিযোগ, ‘রেশনে পণ্য বিলিতে দুর্নীতি চলছে। করোনায় সঠিক আক্রান্তের তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। শাসক দলের প্রত্যক্ষ মদতে দুর্নীতি চলছে। করোনা সংক্রমণ মালদহে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ কিছু জানাচ্ছে না রাজ্য় সরকার। তথ্য গোপন করা হচ্ছে।’

কেন্দ্রের পাঠানো রেশনও মানুষের কাছে পৌঁছতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপি সাংসদের। তাঁর অভিযোগ, ‘রেশনের খাদ্যসামগ্রী লুঠ করছে শাসকদল৷ মালদহে অনিয়ম চলছে৷ রেড জোন এলাকায় নিয়ম মানা হচ্ছে না।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ