নয়াদিল্লি: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে ‘ভারতরত্ন’ দেওয়ার দাবি তুললেন মধ্যপ্রদেশের এক বিজেপি সাংসদ। উজ্জয়নের আলোট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অনিল ফিরোজিয়া ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে এব্যাপারে চিঠি লিখেছেন। দেশের সর্বোচ্চ সম্মান হল ‘ভারতরত্ন’। আগামী ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর১২৫তম জন্মদিন। তার আগে নেতাজিকে দেশের সর্বোচ্চ এই সম্মান জানানোর আবেদন এই বিজেপি সাংসদের।

ইতিমধ্যেই নেতাজির ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপনের জন্য উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বছরভর নেতাজি স্মরণে দেশজুড়ে নানা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় সরকারের। দিন কয়েক আগেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনকে ‘পরাক্রম দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় মোদী সরকার। দেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে নেতাজির ভূমিকাকে কুর্নিশ জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। বছরভর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

এরই পাশাপাশি এবার নেতাজিকে ‘ভারতরত্ন’ সম্মান দেওয়ার দাবি তুলেল মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নের আলোট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ অনিল ফিরোজিয়া। ইতিমধ্যেই এই আবেদন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন এই সাংসদ।

ইতিমধ্য়েই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষচন্দ্র বসুকে সম্মান জানিয়ে তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাওড়া-কালকা মেলের নাম বদল করেছে ভারতীয় রেল৷ এবার থেকে হাওড়া-কালকা মেলের নাম হয়েছে ‘নেতাজি এক্সপ্রেস’৷ রেল মন্ত্রকের তরফে বলা হয়, ‘‘ভারতীয় রেল আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে যে ১২৩১১/১২৩১২ হাওড়া-কালকা এক্সপ্রেসের নাম ‘নেতাজি এক্সপ্রেস করা হল৷ নেতাজির পরাক্রম ভারতকে স্বাধীনতা এবং উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে৷ এই পরিবর্তনের মধ্যে দিয়েই তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হল৷’’

আগামী ২৩ জানুযারি কলকাতায় য়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে নেতাজিকে নিয়ে নতুন গ্যালারির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী৷ ওই গ্যালারিতে নেতাজির ১২৫টি ছবি থাকবে। এছাড়া ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবীদের নিয়ে আরও একটি গ্যালারির উদ্বোধন করবেন তিনি৷ ওই দিনই (২৩ জানুয়ারি) ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে নেতাজি শীর্ষক একটি আলোচনাসভায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।