লখনউ: প্রশাসনিক বৈঠকে নিজেরা জুতো নিয়ে মারামারি করলেন শাসক দলের সাংসদ এবং বিধায়ক। সংবাদ মাধ্যমের সামনে ঘটা সেই ঘটনার কেবল সাক্ষী থাকলেন না সাংবাদিকেরা, সমগ্র ঘটনার রেকর্ড করলেন ক্যামেরায়। রেকর্ড হয়ে গেল দুই জনপ্রতিনিধির মুখ থেকে বেরিয়ে আসা গালাগালিও।

আরও পড়ুন- জামাত-উদ-দাওয়ার একগুচ্ছ মাদ্রাসা বাজেয়াপ্ত করল পাক সরকার

বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে দেশের সবথেকে বড় রাজ্য উত্তর প্রদেশে। ২০১৭ সাল থেকে যে রাজ্যের শাসনভার রয়েছে বিজেপির দখলে। এই মুহূর্তে আলোচনার শীর্ষে থাকা দুই জনপ্রতিনিধিও বিজেপির টিকিটেই জিতেছেন। ওই দুই ব্যক্তি হলেন সাংসদ শরদ ত্রিপাঠি এবং বিধায়ক রাকেশ সিং বাঘেল।

আরও পড়ুন- উত্তেজনা কমছে দেখে ভারতে হাইকমিশনারকে ফেরাচ্ছে আতঙ্কিত পাকিস্তান

এদিন ওই রাজযের রাজধানী লখনউ থেকে ২০০ কিমি দূরে সন্ত কবির নগরে ছিল প্রশাসনিক বৈঠক। এলাকার উন্নয়ন নিয়েই সেই বৈঠকে আলোচনা চলছিল। এলাকার রাস্তা নির্মাণের ফলকে সাংসদ শরদ ত্রপাঠীর নাম নেই। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিলেন জেলার প্রধান মুখ এবং সাংসদ শারদ। নাম না থাকার সিদ্ধান্ত বিধায়ক রাকেশ সিং নিয়েছেন এবং তিনি তা খুব সদর্পে বলেন।

বিজেপির সাংবাদ-বিধায়কদের জুতো ছোঁড়াছুড়ি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়!

বিজেপির সাংবাদ-বিধায়কদের জুতো ছোঁড়াছুড়ি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়!

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले बुधवार, ६ मार्च, २०१९

এতেই চটে যান সাংসদ শরদ। বিধায়ক রাকেশের সঙ্গে শুরু হয়ে যায় সাংসদের বাদানুবাদ। এমন সময়ে সাংসদকে জুতো খুলে মারার হুমকি দেন ৫২ বছর বয়সী বিধায়ক রাকেশ। এর কিছুক্ষণ পরেই নিজের জুতো খুলে বিধায়ককে মারতে থাকেন ৪৭ বছর বয়সী সাংসদ।বেশ কিছুক্ষণ ধরে অবিরত বিধায়ককে নিজের জুতো দিয়ে মারতে থাকেন সাংসদ। পালটা জবাব দিতে এগিয়ে আসেন বিধায়ক। সেই সময়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামাল দেন উপস্থিত পুলিশ আধিকারিক। দুই ব্যক্তিকেই সরিয়ে দেন তিনি।

এই ঘটনার পরেই বিধায়ক রাকেশ সিং বাঘেলের অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। সাংসদ শারদ ত্রিপাঠীর গ্রেফতারের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় সমগ্র দেশে। রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে সভাপতি এমএন পাণ্ডে বলেন, “আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। দুই ব্যক্তির কাছেই সমন পাঠানো হবে। উভয়ের বিরুদ্ধেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”