স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্র নাথ রায়ের রহস্যমৃত্যুতে সিবিআই তদন্ত চেয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হলেন বিজেপি সাংসদরা। তাঁদের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীও ছিলেন।

মৃত বিধায়কের ময়না তদন্তের যে প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে গলায় ফাঁস লেগে শ্বাসরোধেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু দেবেন রায়ের পরিবার আত্মহত্যা বলে মানতে নারাজ। গভীর রাতে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের সদস্যদের।

একই অভিযোগ বিজেপিরও। মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির কাছে সেই অভিযোগ জানালেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ও সাংসদ রাজু সিং বিস্তা। রাষ্ট্রপতির তাঁদের অনুরোধ, দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু ঘটনায় সিবিআই তদন্ত করতে হবে। এনিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের কাছ থেকে রিপোর্ট চাইতে হবে এবং বিধানসভা ভেঙে দিতে হবে।

এদিন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, “এই ধরনের খুনের ঘটনা প্রথম বাংলায় ঘটল না। এর আগে পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। এবার একজন বিধায়ক খুন হলেন। আমরা রাজ্য সরকারের কোনও তদন্ত সংস্থাকে বিশ্বাস করি না। তাই রাষ্ট্রপতির কাছে সিবিআই তদন্তের অনুরোধ করেছি। বাংলার রাজ্যপালের কাছ থেকে এনিয়ে রিপোর্ট চাওয়ারও অনুরোধ জানিয়েছি।”

বিজয়বর্গীয়র আরও দাবি, খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের যোগ রয়েছে বলে ইতিমধ্যেই অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

উল্লেখ্য, সোমবার উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ির কিছুটা দূরে বালিয়াদিঘি মোড় এলাকায় একটি মোবাইল ফোনের দোকানের বারান্দা থেকে। পকেট থেকে পাওয়া যায় একটি সুইসাইড নোট।

তাঁর মৃত্যুর জন্যে দায়ী কারা সেই নোটে লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ছিল, আত্মঘাতীই হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। ওই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের আদেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই ঘটনায় প্রতিবাদে আজ, মঙ্গলবার দিনভর উত্তরবঙ্গ বনধ ডেকেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বনধকে ঘিরে উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি হচ্ছে ।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ