ভোপাল: বিজেপিতে সবাই এখন স্বঘোষিত চৌকিদার৷ ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ছোট-মেজ-বড় মাপের নেতারা তাদের নামের আগে চৌকিদার লেখা শুরু করেছেন৷ কিন্তু এই বিজেপি নেতা একধাপ এগিয়ে নিজের গাড়িতে চৌকিদার লিখলেন৷ কিন্তু আইন ভঙ্গ করায় জরিমানার মুখে পড়তে হয়৷

মধ্যপ্রদেশের বিজেপি বিধায়ক রাম দাংগোরে তাঁর গাড়িতে করে অন্য এক বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে যান৷ রাস্তায় চেকপয়েন্টে তাঁর গাড়ি থামায় ট্রাফিক পুলিশ৷ কারণ পুলিশ কর্তাদের নজরে পড়ে বিধায়কের গাড়ির নম্বর প্লেটের জায়গায় লেখা চৌকিদার৷ এরপরই তাঁকে জরিমানার মুখে পড়তে হয়৷

বিজেপি বিধায়কের দাবি, গাড়ির নম্বর প্লেটে চৌকিদার লিখে তিনি কোনও ট্রাফিক আইন ভাঙেননি৷ গোটা ঘটনায় তিনি কংগ্রেসের চক্রান্ত খুঁজে পান৷ তাঁর দাবি, কংগ্রেস শাসিত মধ্যপ্রদেশের পুলিশ ইচ্ছা করে তাঁকে জরিমানার চালান ধরিয়েছে৷

চৌকিদার নিয়ে সরগরম জাতীয় রাজনীতি৷ শাসক-বিরোধী দু’পক্ষেরই প্রচারের হাতিয়ার চৌকিদার৷ কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী অনেকদিন আগেই নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে চৌকিদার চোর হ্যায় স্লোগান তুলেছেন৷ লোকসভা ভোটের মুখে সেই চৌকিদার স্লোগানে কেল্লা ফতে করতে চাইছে বিজেপি৷ তাদের নয়া স্লোগান ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’৷

মাইক্রো ব্লগিং সাইট ট্যুইটারে ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ ক্যাম্পেন শুরু করেছেন নরেন্দ্র মোদী৷ ট্যুইটারে নিজের নামের আগে চৌকিদার বসিয়ে নেন তিনি৷ যথারীতি এটাও এখন ট্যুইটারে নয়া ট্রেন্ড শুরু হয়েছে৷ মোদীর দেখাদেখি অন্যান্য বিজেপি নেতারাও তাদের নামের আগে চৌকিদার শব্দ বসিয়ে নিয়েছেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।