ইন্দোর: পুরকর্মীদের ব্যাট নিয়ে তাড়া করছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে! উঠছে ব্যাট দিয়ে আঘাত করার অভিযোগও৷ বুধবার ইন্দোরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। বিতর্ক ছড়িয়েছে মধ্যপ্রদেশের রাজনীতিতে। সেই বিতর্ক ক্রমে দেশজুড়ে ছড়াচ্ছে৷ বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, জবরদখল উচ্ছেদ করতে এসে ঘুষ চেয়েছিলেন পুরকর্মীরা! তাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন আকাশ বিজয়বর্গীয়।

কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে আকাশ বিজয়বর্গীয় মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বিধায়ক৷ এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়৷ পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে৷ বুধবারই আকাশকে ইন্দোর আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

সূত্রের খবর এদিন ইন্দোরে জবরদখল উচ্ছেদ করতে গিয়েছিলেন পুরকর্মীরা। প্রবল বচসার মাঝে ব্যাট নিয়ে তাড়া করেন কৈলাস বিজয়বর্গীর বিধায়ক পুত্র। আকাশের সঙ্গে যোগ দেন তার অনুগামীরা। পুলিস বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও রক্ষা হয়নি। ব্যাট হাতে তুলকালাম কাণ্ড করেন কৈলাস পুত্র আকাশ বিজয়বর্গীয়।

এমনকি, সাংবাদিকদের সামনেই তেড়ে যান পুরকর্মীদের দিকে। মার খান পুরকর্মীরা। এক পুরকর্মীকে টানাটানি, ধাক্কাধাক্কি করা হয়। এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তার পিছনে ধাওয়া করা হয়। পুরকর্মীদের পাঁচ মিনিটের মধ্যে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেন আকাশ। কোনওক্রমে তাদের হাত থেকে পুরকর্মীদের বাঁচায় পুলিস।

এদিকে, আকাশের হয়ে সাফাই দেন মধ্যপ্রেদশের বিজেপি নেতা হিতেশ বাজপেয়ী। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, উচ্ছেদ করতে এসে ওইসব পুরকর্মীরা ঘুষ চেয়েছিলেন। “আপনারা পুরকর্মীদের মারধরের জন্য আকাশকে জেলে পুরতে পারেন। কিন্তু ওইসব ঘুষখোর পুরকর্মীদের কী হবে?”৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।