ফাইল ছবি

চন্ডিগড়: বিজেপির নিশানায় তিনি৷ ইন্দিরা গান্ধীর মত দেহরক্ষীদের দিয়ে তাঁকে হত্যা করা হতে পারে৷ আশঙ্কা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের৷

তবে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দের এই হত্যার আশঙ্কা প্রথন নয়৷ বছর তিনেক আগেও একবার তাঁকে হত্যা করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন কেজরিওয়াল৷ সেবার ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করে সেই আশঙ্কার খবর প্রকাশ্যে আনেন তিনি৷

আরও পড়ুন: মোদীকে চাপে রেখে বিজেপি বিরোধী ফ্রন্ট গড়তে চন্দ্রবাবু-রাহুল বৈঠক

পঞ্জাবে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে ভোট প্রচার করছিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান৷ সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি আমাকে একদিন শেষ করে দেবে৷ আমার বেক্তিগত দেহরক্ষীরাই আমাকে হত্যা করবে৷ আমার ব্যক্তগত দেহরক্ষীরা বিজেপির কাছে রিপোর্ট করে৷’’

হত্যার কোনও ইঙ্গিত কী তিনি পেয়েছেন? অরবিন্দ কেজরিওয়াল কথায় উঠে আসে দিন কয়েক আগেই দিল্লির মতিনগরে প্রচারের সময় এক যুবকের তারে থাপ্পর মারার কথা৷ ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, লাল টিশার্ট পরা একটি ছেলে রোড শো চলাকলীন কেজরিওয়ালের জিপে উঠে তাকে থাপ্পর মারছেন৷ পরে আপ কর্মীদের চেষ্টায় তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়৷ পুরো ঘটনাতেই অবশ্য প্রশ্ন ওঠে দিল্লির মখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে৷ কোথায় ছিলেন তার ব্যক্তিগত দেহরক্ষী তা ঘিরেও উঠছে প্রশ্ন৷

আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমাদের আস্থা রাখা দরকার: জয় গোস্বামী

আপ বিধায়র সৌরভ ভরদ্বাজের দাবি, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে মোট ৬ বার কেজরিওয়ালকে আক্রমণ করা হয়েছে৷ মজার বিষয় সেসময় পুলিশ ছিল৷ অভিযোগ হয়েছে৷ কিন্তু কেই ধরা পড়েনি৷ আমরা দিল্লি পুলিশকে বিশ্বাস করি না৷’’

প্রসঙ্গত, ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর খুন হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সকাল ৯টা ২০ মিনিট নাগাদ সফদর জং রোডের বাসভবনে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়৷ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দু’জন শিখ দেহরক্ষী সতওয়ান্ত সিং ও বেয়ান্ত সিং তাঁকে গুলি করেন৷