কলকাতা: আলোচনা প্রায় সাড়া। সম্ভবত রবিবার সন্ধেয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে বিজেপি। ওই দিন দুপুরে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির সভায় প্রধান বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নমোর ব্রিগেডের সভার পরেই প্রার্থী তালিক ঘোষণা করে দিতে পারে রাজ্য বিজেপি। যদিও এব্যাপারে দলের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

শুক্রবারই সবার আগে রাজ্যের প্রায় সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে চাপে ফেলার কৌশল তৃণমূলের। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ছেন। তাঁর পুরনো আসন ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন দলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

এছাড়াও তৃণমূলের এবারের প্রার্থী তালিকায় তারকাদের ছড়াছড়ি। তারকাদের স্টারডম কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পেরনোর চেষ্টায় রাজ্যের শাসকদল। এর আগেও তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক, সাংসদ হতে দেখা গিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অনেককে।

কে নেই সেই তালিকায়? প্রয়াত তাপস পাল থেকে শুরু করে শতাব্দী রায়, দেব, নুসরত, মিমি, চিরঞ্জিৎ প্রত্যেকেই শাসকদলে নাম লিখিয়ে টিকিট পেয়েছেন এবং জিতেওছেন। একুশের ভোটের আগে ফের তৃণমূলে টলি পাড়ার একঝাঁক কলাকুশলী যোগ দিয়েছেন। এবার তাঁদেরও নিরাশ করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। সদ্য দলে যোগ দেওয়া প্রায় প্রত্যেককেই বিধানসভা ভোটে টিকিট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। দলের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা নিয়ে দিল্লিতে মোদী-শাহ-নাড্ডাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বিজেপির রাজ্য নেতারা। সেই বৈঠকেই প্রার্থী তালিকা একপ্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। এবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পালা।

আগামী রবিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করছে বিজেপি। সেই সভায় প্রধান বক্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে ব্রিগেডের সভার জন্য প্রচার তুঙ্গে করেছে পদ্ম শিবির। মোদীর ব্রিগেডের সভার দিন সন্ধেয় রাজ্যে বিধানসভা ভোটের জন্য প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিতে পারে রাজ্য বিজেপি। পদ্ম শিবিরের প্রার্থী তালিকাতেও থাকতে পারে একাধিক চমক। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।