শ্রীনগর: লোকসভা নির্বাচন আসন্ন৷ আগামী ১১ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব৷ তার আগে বিভিন্ন দল নিজেদের ইস্তেহার প্রকাশ করছে৷ সোমবার নিজেদের ইস্তেহার পত্র (যাকে সঙ্কল্প পত্র বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি) প্রকাশ করে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেছে বিজেপি৷ সেখানে একদিকে যেমন জায়গা করে নিয়েছে কৃষকদের সমস্যা, তেমনই জায়গা করেছে বিতর্কিত রামমন্দির ইস্যুটি৷ আর সেই সঙ্গে উঠে এসেছে ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারাও৷

সঙ্কল্প পত্রে জানানো হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ এবং ৩৫ এ ধারার ইতি টানবে বিজেপি৷ তাদের মতে, এই ধারা বৈষম্যমূলক৷ জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়নের পথেও অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ধারা৷ কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার জন্যও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি৷

এদিকে এই ৩৭০ এবং ৩৫ এ ধারা নিয়ে বারবারই সরব হয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা পিডিপি প্রেসিডেন্ট মেহবুবা মুফতি৷ আজ তক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি জানিয়েছেন, জম্মু-কাশ্মীর যে শর্তে ভারতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, সেগুলি যদি উঠিয়ে নেওয়া হয় তাহলে ভারতের সঙ্গে কোনও সম্পর্কই রাখবে না কাশ্মীর৷

প্রসঙ্গত, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ এবং ৩৫এ বাতিল করার কথা বলেছিলেন আগেই৷ মনে করা হচ্ছে অমিত শাহের এই বক্তব্যের পাল্টা দিতেই ভারত থেকে কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন মুফতি৷ এর পাশাপাশি কংগ্রেস ইস্তেহার নিয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি৷ কংগ্রেস তার ইস্তেহারে জানায়, কাশ্মীরে সেনাদের উপস্থিতি কম করবে৷ সেই সঙ্গে AFSPA-র বিষয়েও বিবেচনা করবে৷ মেহবুবা জানিয়েছেন, কংগ্রেস সেই কথাই বলেছে যা মুফতি মহম্মদ সইদ বিজেপির সঙ্গে জোটের সময় বলেছিলেন৷

বিজেপির ইস্তেহারে ফের এই ইস্যুকেই তুলে ধরা হয়েছে৷ স্বভাবতই মুফতি এবার কি প্রতিক্রিয়া দেন সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের৷