স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য বাংলায় ডিজিটাল লড়াইয়ের উপরই সবথেকে বেশি জোর হবে। দিল্লির বৈঠকে বাংলার নেতাদের এই নির্দেশই দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দিল্লিতে দলের রণকৌশল-বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, দলের প্রত্যেক কর্মীদের মধ্যে এলাকা ভিত্তিক দল গঠন করে তৈরি করতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, যেখানে বিরোধী শিবিরের গতিবিধি, রণকৌশল সংক্রান্ত খবরের আদান-প্রদান চলতে থাকবে প্রতিনিয়ত৷ এর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলো, যত দ্রুত সম্ভব, এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতাদের পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে৷ সেই মেসেজ তাঁরা দেখে সবুজ সঙ্কেত দিলেই সঙ্গে সঙ্গে আবার হোয়াটসঅ্যাপেই তা ছড়িয়ে দিতে হবে বুথ স্তরের কর্মীদের সবার কাছে।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলের আইটি সেলকে আরও শক্তিশালী করে ডিজিটাল প্রচারের প্রস্তুতিও নিতে বলেছে। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মত প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়নো এবং ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল ভালো ভাবে তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এর পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারবাহিক প্রচারের মাধ্যমে বাংলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংঘর্ষে খুন-জখমের ঘটনাকে তুলে ধরার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপিকে এখন রীতিমত টেক্কা দিচ্ছে তৃণমূল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে নানাভাবে ভার্চুয়াল প্রচার করছে তারা। রবিবারই ‘সোজা বাংলায় বলছি’ কর্মসূচি লঞ্চ করেছে তারা।

শাসকদলের এই কর্মসূচিতে সপ্তাহে তিন দিন সকাল ১১টায় একটি এক মিনিটের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকবে। আগামী কয়েক মাস চলবে এই সিরিজ। সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বিষয়ের প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রগুলির ওপর তৈরি করা হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভাব-অভিযোগ নিয়েও সরব হবে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবি, তাঁদের এই প্রচারপর্বে যে ভিডিওগুলি প্রকাশ করা হবে, তাতে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গত ন’বছরে বাংলার কতটা অগ্রগতি হয়েছে। এছাড়াও বিজেপির শাসনে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো কীভাবে ‘আক্রান্ত’ হচ্ছে এবং রাজ্যগুলিকে কীভাবে ‘বঞ্চনার শিকার’ হতে হচ্ছে সেটাও তুলে ধরা হবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, করোনা আবহে আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ভোটের প্রস্তুতি-পর্বের লড়াই অনেকাংশেই হয়ে উঠতে চলেছে ডিজিটাল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I