স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে খগেন মুর্মু উত্তর মালদহের প্রার্থী হচ্ছেন, এ নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। বিজেপির জেলা সভাপতি থেকে দলীয় নেতৃত্বের একাংশ প্রকাশ্যেই তার বিরোধিতা করেছে। এমনকি খগেন মূর্মুর নামে কুরুচিকর মন্তব্য লিখে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ফেস্টুনও টানানো হয়।

বিজেপির জেলা সভাপতি সঞ্জীব মিশ্র স্বীকার করে নেন দলীয় কর্মীদের একাংশ ক্ষোভের বশে এই কাজ করেছে। ঠিক এর পরেই উত্তর মালদহ লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর তালিকায় উঠে এসেছে আরেক জনের নাম। তিনি হলেন মালদার রতুয়ার বিজেপি নেতা সঞ্জয় কুমার সাহা। গত বিধানসভা ভোটে তিনি রতুয়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন৷ এলাকায় পরিচিত মুখ তিনি।

আরও পড়ুন : জেলা সভাপতিকে অশ্রাব্য ভাষায় হুমকি ফোন, কমিশনে বিজেপি

পঞ্চায়েত নির্বাচনে রতুয়া ও মালতিপুর এলাকায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই সঞ্জয় সাহা। তার নেতৃত্বে বেশ কিছুটা সফলতাও এসেছিল বিজেপির পক্ষে। উত্তর মালদহের বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তার নাম পাঠানো হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা।

সঞ্জয় সাহা নিজে মুখে কিছু না বলতে চাইলেও অনেকেই বলছে যদি সঞ্জয় সাহাকে প্রার্থী করা হয় তাহলে রতুয়া, মালতিপুর, হরিশচন্দ্রপুরের মত সংখ্যালঘু এলাকায় বিজেপি ভোট বাড়বে। সে ক্ষেত্রে হবিবপুর, গাজোল, পুরাতন মালদহের ভোট এবং বাকি এলাকাগুলোর একত্রিত করা যায় তাহলে বিজেপির জয় এই কেন্দ্রে কার্যত নিশ্চিত।

আরও পড়ুন : মোদীর কারণে ২০১৮ সালে খোয়া গিয়েছে এক কোটি চাকরি: রাহুল

এ নিয়ে বিজেপির জেলার মুখপাত্র অজয় গাঙ্গুলি বলেন আমাদের দলে গণতন্ত্র অনেকটা বিস্তারিত। যে কোনো মানুষই প্রার্থী হওয়ার জন্য সরাসরি আবেদন করতে পারেন। সঞ্জয় সাহা আমাদের দলেরই নেতা। কে প্রার্থী হবেন, এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দল যাকে প্রার্থী করবে দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁর হয়ে ভোটের ময়দানে নামবেন৷

বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুদীপ্ত চ্যাটার্জী বলেন সবার আগে দল৷ প্রার্থী কে হচ্ছে সেটা বড় কথা নয়। সুতরাং যদি সঞ্জয় সাহাকে দল প্রার্থী করে আমরা সবাই তার হয়ে ভোটের ময়দানে নামব এবং জেতানোর চেষ্টা করব৷