নয়াদিল্লি: দলে থেকে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বারে-বারে সরব হয়েছেন তিনি৷ প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে৷ যোগ দিয়েছেন বিরোধী শিবিরের কলকাতার মহা ব়্যালিতে৷ একসময়ে ‘ঘরের ছেলে’ শক্রঘ্নই আজ পদ্ম শিবিরের ‘ঘরের শত্রু’৷ ফলে পরিষ্কারই ছিল ‘বিহারী বাবু’ শত্রুঘ্ন সিনহাকে আর এবার টিকিট দেবে না বিজেপি৷

আরও পড়ুন: প্রার্থী বাছতে গভীর রাতে বৈঠকে বসল বিজেপি নেতৃত্ব

কিন্তু, বিহারের পাটনা সাহিব লোকসভা আসন থেকে কে দাঁড়াবেন? তা নিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই জল্পনা ছিল বিস্তর৷ জয়ী প্রার্থীকে বদল করে নতুন মুখ, নাকি পুরোন মুখ এনেই ওই আসনে বাজি মাত করা হবে৷ এদিনে শনিবার দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির বৈঠকে আলোচনা হয় দীর্ঘক্ষণ৷ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সবাপতি অমিত সাহ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ দলের প্রথম সারির নেতারা৷

প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনায় জনপ্রিয় শত্রুঘ্ন সিনহার জায়গায় নাম উঠে এসেছে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের নাম৷ আলোচনায় উঠে আসে আরও বেশ কয়েকটি নাম৷ দলের রাজ্যসভার সাংসদ আরকে সিনহাকে ওই আসন থেকে চেয়েছিল রাজ্য নেতৃত্বের একাংশ৷ অন্যদিকে, নির্বাচন কমিটিতে আলোচনা হয় বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদীর নাম নিয়েও৷ কিন্তু যেহেতু তিনি আপাতত একটি পদে রয়েছেন এবং ভালো কাজ করছেন, তাই সুশীল মোদীকে ওই পদেই রেখে দেওয়ার পক্ষে দলীয় নেতৃত্বের বেশিরভাগ অংশ৷

সুশীল মোদী

 

এছাড়াও পাটনা সাহিব থেকে লড়ার জন্য চর্চা হয় বিহারের বিজেপি সভাপতি নিত্যানন্দ রাই-কে নিয়েও৷ তবে সব ঠিক থাকলে বিহারের ভূমিপুত্রই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদই এবার পাটনা সাহিব থেকে পদ্ম শিবিরের বাজি হচে চলেছেন বলে সূত্রের খবর৷

আরও পড়ুন: অসম্মান’-এর জোটের সব দায় এআইসিসির, কড়া হলেন সোমেনরা

এবারের লোকসভা ভোটের প্রথম পর্ব ১১ই এপ্রিল-ই ভোট হবে বিহারে৷ শনিবার তাই বিজেপির নির্বাচন কমিটি বৈঠকে বসে৷ আলোচনা হয় প্রার্থীদের নিয়ে৷ শনিবার গভার রাত পর্যন্ত বৈঠক হয়৷ সিদ্ধান্ত হয় আজ, রবিবারও হবে আলোচনা৷ তারপর দুপুর নাগাদ প্রথম পর্বে যেসব রাজ্যে আসনে ভোট রয়েছে তার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলা হবে৷ প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করা হতে পারে এদিন৷