ফাইল ছবি

কলকাতা: এবারও মহালয়ার ভোরে দলের ‘শহিদ’ কর্মীদের উদ্দেশে তর্পণ করবেন বিজেপি নেতারা। বৃহস্পতিবার কলকাতার বাগবাজার গঙ্গার ঘাটে তর্পনে অংশ নেবেন রাজ্যে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, মুকুল রায়, রাহুল সিনহারা। তবে সংসদে বাদল অধিবেশন চলায় মহালয়ার ভোরে কলকাতায় দলের কর্মসূচিতে থাকতে পারবেন না বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

গত বারও বিজেপির তরফে মহালয়ার ভোরে দলের ‘শহিদ’ কর্মীদের উদ্দেশে তর্পণ করেন বিজেপি নেতারা। এবার করোনা আবহেও সেই কর্মসূচিতে ছেদ পড়ছে না। তবে সংক্রমণ এড়াতে যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মহালয়ায় বাগবাজার ঘাটে তর্পণ করবেন দলের বঙ্গ পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা। এবারের তর্পন কর্মসূচিতে দলের ২২ ‘শহিদ’ পরিবারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এবার পুজোর এক মাস আগে মহালয়া। তিথি অনুযায়ী এবার আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর মহালয়া। মহালয়ার ভোরে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ করতে গঙ্গার ঘাটগুলিতে ভিড় জমে যায়। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। গোটা বিশ্ব করোনার গ্রাসে। ভয়ঙ্কর প্রভাব এদেশেও। করোনা চোখ রাঙাচ্ছে বাংলাতেও। আর তাই মহালয়ার ভোরে গঙ্গার ঘাটগুলিতে ভিড় এড়াতে এবার চূড়ান্ত তৎপরতা নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ।

ফি বার মহালয়ার ভোরে ভিড় জমে যায় কলকাতার একাধিক গঙ্গার ঘাটে। বাবুঘাট, নিমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট-সহ গঙ্গার পাড়গুলিতে তিলধারণের জায়গা থাকে না। প্রতিবারই সেই ভিড় সামলাতে হিমশিম দশা হয় পুলিশকর্মীদের।

তবে এবার আরও বেশি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পথে কলকাতা পুলিশ। তর্পনের ভিড় থেকে যাতে কোনওভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেব্যাপারে একাধিক পদক্ষেপের পথে পুলিশ–প্রশাসন।

জানা গিয়েছে, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এবার গঙ্গার ঘাটগুলিতে সামাজিক দূরত্ব মানার জন্য দাগ কেটে দেওয়া হবে। তর্পনে আসা প্রত্যেককে মাস্ক পরে আসতে হবে। মাস্ক না পরে এলে তাঁকে বাড়ি ফিরিয়ে দেবে পুলিশ।

অন্যবারের চেয়ে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সেই কারণেই গঙ্গার ঘাটগুলিতে পুলিশকর্মীদের সংখ্যা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তর্পনে আসা প্রত্যেকে যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সেব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।