স্টাফ রিপোর্টার, চুঁচুড়া: শুভেন্দু অধিকারীর রোড-শোতে ‘গোলি মারো’ স্লোগান তোলায় হুগলি জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। বুধবার তাঁদের জামিন দিল চন্দননগর আদালত।

বুধবার, ২০ জানুয়ারি চন্দননগরের তালডাঙা থেকে জ্যোতির মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন শুভেন্দু। ওই মিছিলে যোগ দেন হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংহ-সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই মিছিলের একটি অংশ থেকেই ওঠে ‘গোলি মারো’ স্লোগান। ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই স্লোগান দিচ্ছেন সুরেশ সাউ। সুরেশ স্লোগান তোলেন, ‘তৃণমূলকে গদ্দারোঁ কো’। ‘গোলি মারো…’, বলে বাকি অংশ পূরণ করেন সুরেশের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।বৃহস্পতিবার ভোরে ৩ জনকে গ্রেফতার করে চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ।এই স্লোগান প্রসঙ্গে সুরেশ সাউ জানিয়েছিলেন, ‘‌দেশে অনুপ্রবেশ ঘটলে বা আতঙ্কবাদী হামলা চললে সেনারা যেভাবে প্রতিবাদ করেন সেটাকেই তুলে ধরতে ওই স্লোগান দেওয়া হয়েছে। কিছু গদ্দার যারা দেশের খেয়ে, দেশের পরে কিন্তু দেশের বিরুদ্ধে যায় তারা তৃণমূলেও আছে। আমরা ভারতীয় সেনাকে বলব, এই ধরনের যে সব গদ্দার আছে তাদের আগে গুলি করে মারুক।’‌

দিল্লি হিংসার সময় এই স্লোগান শোনা গিয়েছিল বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরের মুখে। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। রাজ্যেও সেই স্লোগান ওঠায় কড়া নিন্দা করেছিল তৃণমূল। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে হুগলি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ‘‘মিছিলে অসংখ্য মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। তার মধ্যে কে কোথায় কি স্লোগান দিয়েছেন, বলতে পারব না।’

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার কলকাতায় মন্ত্রী অরূপ রায় এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের মিছিলের একটি অংশ থেকেই স্লোগান ওঠে ‘বঙ্গাল কে গদ্দারো কো গুলি মারো…।’ হিন্দিতে সেই স্লোগান যাঁরা দেন, তাঁরা মিছিলের একেবারে শেষের দিকে ছিলেন। শোভন এবং অরূপদের থেকে তাঁরা অনেকটাই দূরে ছিলেন। সেই ঘটনায় কলকাতা পুরনিগমের ১১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব সভাপতি সুভাষ সাউয়ের নাম জড়ায়। তাতে অবশ্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। পরে চাপের মুখে পড়ে ওই যুব সভাপতিকে পদ থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।