সুভাষ বৈদ্য, কলকাতা: অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাসের দিন কলকাতায় জীবন্ত রামের পুজো করলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিংহ৷

রাজ্যের সম্পূর্ণ লকডাউনের মধ্যেই কলকাতার একটি মন্দিরে সাড়ম্বরে জীবন্ত রামের পুজোর আয়োজন করেন বিজেপি নেতা৷ দক্ষিণ কলকাতার অরফ্যানগঞ্জ রোডের ওই রাম মন্দিরে রীতিমতো বেলকাঠ ও ঘি দিয়ে যজ্ঞও করা হয়৷ এমনকি অযোধ্যায় রামমন্দিরের শিলান্যাসের সম্প্রচার সরাসরি দেখানোরও ব্যবস্থা করা হয়৷

জানা গিয়েছে, পঞ্চম শ্রেণির দুই পড়ুয়াকে রাম ও সীতা সাজানো হয়৷ আরও একজনকে হনুমান৷ পুজো শেষে রাম সীতার পায়ে হাত দিয়ে নমস্কার করেন অনেকেই৷ দেওয়া হয় জয় শ্রীরাম স্লোগান৷ পুজো উপলক্ষে হাজির ছিলো ছোটরাও৷

পুজোয় ভগবান রামকে দেওয়ার জন্য ছাপ্পান্ন রকম ভোগের আয়োজন করা হয়। লাড্ডু, বোদে, মিষ্টি, আলুর দম, পোলাও থেকে শুরু করে সব ধরনের ভোজনের এলাহি আয়োজন ছিল৷

পুজোর উদ্যোক্তা বিজেপি নেতা রাকেশ সিংহ বলেন, ৫০০ বছর পর আজ হিন্দুদের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। সেজন্য আজ প্রত্যেক হিন্দুর কাছে আনন্দের দিন। তাই মূর্তির এখানে আমরা জলজ্যান্ত মানুষকে রাম ঠাকুর হিসেবে পুজো করছি। তার ভোগের জন্য ৫৬ রকম পদের আয়োজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা নিয়ে দেশে যখন হইচই, তখন শহরের বুকে জৌলুসহীন অবস্থায় দেখা গেল এক রাম মন্দির৷ গিরিশ পার্কের কাছে জোড়াসাঁকোর দাঁ পরিবারের বাড়ির পিছনে বর্তমান বহু পুরনো এই রাম মন্দির।

শিবকৃষ্ণ দাঁ লেন দিয়ে এঁকে বেঁকে গিয়ে এক পুরনো বাড়ির দরজার সামনে গিয়ে মন্দিরের দেখা মেলে। ঢুকতেই বাম ও ডান দিকে পড়ে দুটো করে মোট চারটি প্রাচীন শিব মন্দির। তারপর রয়েছে একটি বিশাল মাঠ। এসব পেরিয়ে কয়েকটি সিঁড়ি দিয়ে উঠে দালান লাগোয়া একতলা এই রাম মন্দির। বাইরে থেকে দেখা যায় মন্দিরের গ্রিলের দরজা।

মন্দিরের ভিতরের বিগ্ৰহ স্পষ্ট। অপূর্ব অষ্টধাতুর এক হাত সমান রাম লক্ষ্মণ সীতা আর হনুমানের মূর্তি। রাজারাম বসে আছেন। তার এক পাশে সীতা। মাথায় ছাতা ধরে আছেন লক্ষ্মণ। আর তাঁদের তিনজনের সামনে হাত জোড় করে দাঁড়িয়ে হনুমান।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও