মুম্বই: সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবিতে সরব হয়েছেন তাঁর অনুরাগী এবং নেটিজেনরা। এবার বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী সুশান্ত সিংহ রাজপুতের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত চেয়ে আইনজীবী নিয়োগ করলেন। টুইট করে এমন জানিয়েছেন তিনি।

সুশান্ত এর মৃত্যুর পর নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ঝড় ওঠে। নেটিজেনরা ঘটনার তদন্তের দাবিতে সরব হন। কিন্তু তাতেও কিছু হচ্ছে না দেখে শেষ পর্যন্ত তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন রাখেন সুশান্তর ঘটনার সিবিআই তদন্ত করানোর জন্য। তবে মোদি এখনো এ বিষয়ে কিছুই মন্তব্য করেননি। অবশেষে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এই দায়িত্ব নিলেন। সিবিআই যাতে বিষয়টিকে তদন্ত করে তা খতিয়ে দেখার জন্যই আইনজীবী নিয়োগ করেছেন বিজেপি নেতা।

বিজেপি নেতা টুইট করেন, “আমি আইনজীবী ইসকরণ ভান্ডারির সঙ্গে কথা বলেছি। সুশান্তের ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া যায় কিনা, সেই বিষয়ে খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছি। সেই অনুযায়ী বিষয়টিতে এগোনো হবে। এই ঘটনা কতদূর এগোল তা জানার জন্য ইসকরন ভান্ডারীর টুইটার ফলো করুন।”

এর আগে যদিও বিজেপি থেকে মনোজ তিওয়ারি এবং রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছেন। মনোজ তিওয়ারির মতে যে সম্ভাব্য কারণগুলির জন্য সুশান্ত এমন পদক্ষেপ বেছে নিয়েছেন, সেই কারণগুলিকে আরো গভীরভাবে খতিয়ে দেখা উচিত। মনোজ তিওয়ারি বলিউডের নেপোটিজম প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন। বিজেপি সাংসদ বলছেন, “যখন ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে কেউ বলিউডে নিজের পাকাপাকি জায়গা করে নেন এবং সফল হন, তখন অনেকেই তার রাস্তা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। সুশান্ত মাত্র ১৬ বছর বয়সে নিজের মাকে হারিয়েছিলেন কিন্তু তবুও একেবারে ভেঙে পড়েননি। তাহলে এমন কী হয়েছিল যার জন্য আত্মহত্যা করার মত এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলো তাকে?” এই জন্যই মনোজ তিওয়ারি চান এই ঘটনাটি আরো বিশদে এবং গভীরে যেন তদন্ত করা হয়।

অভিনেত্রী তথা বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও চান সিবিআই তদন্ত হোক। রুপার দাবি শুধুমাত্র অবসাদে ভুগে নিজেকে শেষ করে দিতে পারেন না সুশান্ত সিং রাজপুত। রূপা গঙ্গোপাধ্যায় নিজেও এক সময় আত্মহত্যাপ্রবণ হয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণে। সেই খবর আগেও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু তিনি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না যে সুশান্ত আত্মঘাতী হয়েছেন শুধুমাত্র অবসাদের কারণে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ