স্টাফ রিপোর্টার, হরিণঘাটা: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশের আগে হরিণঘাটায় গুলিবিদ্ধ হলেন এক বিজেপি নেতা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই নেতাকে কল্যাণী জেএন এম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িেয়ছে এলাকা। এদিকে, ব্রিগেডে আসার আগে অনেক বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছে বলে অভিযোগ৷

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দলীয় কাজেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন বিজেপির ১০ নম্বর বুথ সভাপতি নেতা সঞ্জয় দাস। রবিবার ব্রিগেডের সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। শনিবার রাতে ব্রিগেডের প্রচারের কাজ সেরে ফিরছিলেন তিনি। তখনই তাঁর উপর হামলা চালায় দুষ্কৃতিরা। তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আশঙ্কা জনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর।  তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

স্থানীয়দের বক্তব্য, শনিবার রাতে আচমকাই একটা গুলির শব্দ শোনে তাঁরা। বাইরে বেরিয়ে এলে তাঁরা সঞ্জয়কে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। স্থানীয়রাই তাঁকে উদ্ধার করে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতাল ভর্তি করেন। এই ঘটনার পিছনে কারা রয়েছে বা কী কারণে এই ঘটনা, তা এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নির্বাচনের আগে রবিবার ব্রিগেডে হাইভোল্টেজ জনসভা। বাংলা দখলের লড়াইয়ে ময়দানে নামছেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। মেগা ব্রিগেডে বক্তব্য রাখবেন তিনি। ইতিমধ্যেই বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ভিড় জমাতে শুরু করে দিয়েছে ব্রিগেড ময়দানে। বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর এই প্রথম ব্রিগেড সমাবেশ বিজেপির। তাই ব্রিগেডে ভরানো বিজেপির বড় চ্যালেঞ্জ। রবিবার বিজেপির বহু কর্মীদের অভিযোগ, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, কাকদ্বীপ থেকে বাস পেতে কাঠখড় পোয়াতে হয়েছে তাদের। নোনাপুকুর ট্রাম ডিপোর কাছে ব্রিগেডগামী বাস আটকানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে।ব্রিগেডমুখী বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে ভাঙড়ে তৃণমূল সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে৷

এদিন ব্রিগেডের মঞ্চে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। গলায় উত্তরীয় পরিয়ে তাঁকে পদ্মশিবিরে স্বাগত জানালেন বাংলায় বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।