দুর্গাপুর: বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে চরম হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। উত্তরপ্রদেশের মাফিয়া ডন বিকাশ দুবের মতো অনুব্রত মণ্ডলকেও এনকাউন্টারের হুঁশিয়ারি বিজেপি নেতার। এরই পাশাপাশি তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে যাঁরা দুষ্কৃতীদের মতো আচরণ করছেন তাঁদেরও বিকাশ দুবের হাল হবে বলে হুঁশিয়ারি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

বীরভূমে অনুব্রত মণ্ডল ‘গুন্ডাগিরি’ চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে বীরভূমে ‘গুন্ডারাজ’ চলাচ্ছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

এরাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে কানপুরের মাফিয়া ডন বিকাশ দুবের মতো অনুব্রত মণ্ডলকেও এনকাউন্টার করে মারা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতা বলেন, ‘আর মাত্র ৬ মাসের অপেক্ষা। তার পরেই রাজ্যে বদল আসবে। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলেই সুদে আসলে সব উশুল করা হবে।’

তৃণমূলকে আক্রমণ করার পাশাপাশি বামেদেরও একহাত নিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। তাঁর দাবি, ‘রাজ্যে বামেদের কোনও অস্তিত্বই নেই। সিপিএমের নাম করে কর্মসূচি পালন করছে তৃণমূল। লালঝান্ডা হাতে নিয়ে সিপিএমের নামে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কর্মসূচি পালন করছেন।’

বিজেপি নেতার রোষানল থেকে বাদ পড়েননি পুলিশকর্মীরাও। রাজ্য পুলিশর একাংশ শাসকদল তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিজেপি নেতা বলেন, ‘পুলিশের যে অংশ তৃণমূলের কথায় চলছেন তাঁরা রেহাই পাবেন না। আমরা ক্ষমতায় এলে তাঁদের সম্পত্তির হিসেব নেব।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।