স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ব্যালট ভোটের সময় রাজ্য পুলিশকে না পাঠিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হোক৷ নির্বাচন কমিশনের কাছে সেই দাবি জানাল রাজ্য বিজেপি।

সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি এবার ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন ৮০ বছরের ঊর্ধ্বের ব্যক্তিরা। সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্যও ব্যালটের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন মোতাবেক এই ব্যবস্থা করার জন্য কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে।

শনিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানাতে হাজির হন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনে নালিশ জানানোর পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি নেতারা দাবি করেন, ৮০ উর্ধ্ব মানুষদের ঘরে গিয়ে ব্যালটে ভোট সংগ্রহের সময় রাজ্য পুলিশও যাবে। এরপরই পুলিশকে রাজনৈতিক এজেন্ট হিসেবে তোপ দেগে দিয়ে বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন, পুলিশ ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তাই ব্যালট ভোট সংগ্রহের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পাঠানো হোক৷

এদিন রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ নালিশ নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয় বঙ্গ বিজেপি। অভিযোগ তোলা হয়েছে শহরের পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধেও। গত চারদিন ধরে কলকাতার নগরপালের সঙ্গে দেখা করার সময় চাওয়া হলেও অনুমতি মিলছে না বলে এ দিন জানায় বিজেপি।

এদিন কমিশনের কাছে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ‘নবান্নে নির্বাচনী সেল খোলা হয়েছে। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে এই সেল চালানো যাবে না। প্রত্যেকটি থানার পুলিস, আইবি ও সিআইডি আধিকারিকরা বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতছে। এই প্রশাসনের খোলনলচে পাল্টে ফেলতে হবে। না হলে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হবে না’

এদিকে, ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার পরদিনই ঘাসফুলের হাত থেকে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিল বিজেপি। শনিবার নদিয়ার ভাতজংলা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতবদল হল। মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন ভাতজংলা গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা। এদিন নদিয়ার ভাতজংলা গ্রামপঞ্চায়েতের ৬ জন তৃণমূল সদস্য ঘাসফুল ছেড়ে যোগ দিলেন পদ্মফুলে।  এরফলে ভাতজংলা গ্রাম পঞ্চায়েতে সংখ্যালঘু হয়ে পড়ল তৃণমূল। আর সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেল বিজেপি। ফলে ভাতজংলা গ্রাম পঞ্চায়েত চলে এল বিজেপির দখলে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.