নয়াদিল্লি: উপযুক্ত কোনও নেতা নেই কংগ্রেসের। সেই কারণে ওরা(কংগ্রেস) ‘চকোলেট চেহারা’-র মাধ্যমে নির্বাচনে লড়াই করতে চাইছে।

ভারতের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন রাজনৈতিক দল ভারতের জাতীয় কংগ্রেস সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। এই মুহূর্তে শতাব্দী প্রাচীন রাজনৈতিক দল কংগ্রেস নেতাহীনতায় ভুগছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

 

লোকসভা নির্বাচনের আগে জমে উঠেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিতর্ক। একই সঙ্গে পারস্পরিক দলগুলিকে আক্রমণের মাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে বহুলাংশে। নির্বাচন এখনও ঘোষণা হয়নি ঠিকই তবে রাজনৈতিক দলগুলির এই আক্রমণ এবং প্রতিআক্রমণ চলছে নিয়ম মেনেই।

শনিবার রাতের দিকে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির জাতীয় নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক আক্রমণ করেছেন বিরোধী কংগ্রেসকে। তিনি বলেছেন, “ওদের(কংগ্রেসের) নেতা নেই। সেই কারণে চকোলেট চেহারার মাধ্যমে ওরা নির্বাচনে লড়াই করতে চাইছে।” একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন যে এই মুহূর্তে কংগ্রেসের আত্মবিশ্বাস অনেক কমে গিয়েছে।

কিন্তু এই চকোলেট চেহারা আসলে কী? কাদের কথা বলতে চাইছেন বিজেপি নেতা কৈলাস? তা অবশ্য স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “কংগ্রেসের কেউ করিনা কাপুরের নাম নিয়ে চলছে, কেউ সালমানের খানের নাম নিয়ে চলছে। কখনও আবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে নিয়ে আসছে।”

লোকসভা নির্বাচনে মধপ্রদেশের রাজধানী শহর থেকে নাকি করিনা কাপুর লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন। কংগ্রেসের টিকিটে তিনি লড়বেন বলেও শোনা গিয়েছিল। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও নিশ্চিত করে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল যে ভোপালে করিনা কাপুরের শ্বশুরকূলের আদি বাসস্থান। নবাব পরিবারের প্রতি এখনও অনেক লোকের আবেগ রয়েছে। নির্বাচনে সেই বিষয়টিকেই হাতিয়ার করতে চাইছে কংগ্রেস। সেই কারণেই করিনা কাপুরকে প্রার্থী করার কথা ভাবছে।

অন্যদিকে। দিন কয়েক আগে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামিয়েছে গান্ধী পরিবার। তাঁকে সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যের নির্বাচনের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর সামনে লড়াই করার জন্য দাঁড় করানো হয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। এর আগে নানাবিধ রাজনৈতিক বিষয়ে কংগ্রেসকে পরামর্শ দিলেও কখনও সরাসরি রাজনীতিতে জড়াননি রাজীব তনয়া প্রিয়াঙ্কা।

এই সকল বিষয়গুলিকেই কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তবে সালমান খানের সঙ্গে রাজনীতির যোগ পাওয়া যায়নি এখনও। কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে এই অভিনেতার সু-সম্পর্কও কখনও দেখা যায়নি। বিভিন্ন সময়ে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সালমানের ঘনিষ্ঠতা দেখা গিয়েছে। এই ধরনের ব্যক্তির উদাহরণ কৈলাসবাবু কেন দিলেন তা অবশ্য জানা যায়নি।