কলকাতাঃ  বিজেপিতে ভাঙন অব্যাহত রাখল শাসকদল তৃণমূল। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে মজবুত করছে তৃণমূল। আর সে কারণে বিরোধী শিবিরে ভাঙন ধরাচ্ছে শাসকদল।

তবে এবার বাংলায় মূল লড়াই বিজেপির সঙ্গে। গত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় পায়ের মাটি শক্ত করে বিজেপি। আর শক্ত মাটির রাশ আলগা করতে মরিয়া তৃণমূল।

আর তাই তাবড় তাবড় বিজেপি নেতাদের ছিনিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। সে মতোই ফের বিজেপিতে ভাঙন ধরাল শাসকদল তৃণমূল। কোচবিহারে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন। গত কয়েকদফায় কোচবিহারে বড়সড় ভাঙন ধরিয়েছে তৃণমূল। ফের একবার ভাঙন বিজেপিতে।

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন যুব মোর্চার ৫ নেতা। যা বিজেপির কাছে বড়সড় ধাক্কা বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও তা মানতে নারাজ বিজেপি। বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন, “বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করানোর নামে আসলে তৃণমূল থেকেই তৃণমূলে যোগদান হচ্ছে।”

যদিও পালটা সায়ন্তন বসুকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের সাফ হুঁশিয়ারি, “যখনই সায়ন্তন বসুর মত লোকেরা এখানে আসবে, তখনই আমরা বিজেপি থেকে লোকজন তৃণমূলে যোগদান করাবো।”

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই উত্তরবঙ্গ সফরে যান সায়ন্তন বসু। সেখানে গিয়ে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন এই বিজেপি নেতা। যদিও কোচবিহার ছাড়তেই বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন ধরাল তৃণমূল।

অন্যদিকে, ২০২১ এর বিধানসভা ভোটকে পাখির চোখ করে বিরোধী দল থেকে নেতা-কর্মীদের নিজেদের দলে আনার উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে শাসক তৃণমূল। সেই মতো শুক্রবার তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সিপিএম বিধায়ক রফিকুল ইসলাম। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট উত্তরের সিপিএম বিধায়ক রফিকুল।

শুক্রবার তৃণমূল ভবনে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন এই বাম বিধায়ক। শুধু রফিকুলসাহেবই নন, এদিন আরও বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছেন। অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ।

দীর্ঘদিনের রাজনীতির অভিজ্ঞতা তৃণমূলে কাজে লাগাবে বলে মনে করছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব।

শুধু তাই নয়, রফিকুল ইসলামের তৃণমূলে যোগে উত্তর ২৪ পরগনায় দলকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছে তৃণমূল। তবে সূত্রের খবর আগামী দিনে আরও বেশ কয়েকজন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। রফিকুল ইসলামের সঙ্গে আরএসপির বেশ কয়েকজন নেতা এদিন তৃণমূলে যোগ দেন।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।