হাওড়া:  সিএএ-র সমর্থনে বিজেপির হাওড়া জেলা (সদর) কমিটির উদ্যোগে পদযাত্রা হল হাওড়ায়। আজ সোমবার বিকালে শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার কামারডাঙ্গা থেকে এই অভিনন্দন যাত্রা শুরু হয়। পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন বিজেপি রাজ্য নেত্রী ভারতী ঘোষ, জেলা সদর সভাপতি সুরজিত সাহা, জেলা সদর সাধারণ সম্পাদক নবকুমার দে সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। কামারডাঙ্গায় বিজেপির কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শমীচন্ডীতলা, কাঁটাপুকুর পাঠশালা মোড়, পাওয়ার হাউস মোড় হয়ে বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে এদিনের পদযাত্রা। পরে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। পদযাত্রায় বিজেপি কর্মীদের উপিস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

এদিন ভারতী ঘোষ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “আজকের বাজেটে জঙ্গলমহলকে ঢেলে সাজানোর কথা বলেছেন। ছত্রধর মাহাতোকে বাড়িতে বাড়িতে পাঠিয়ে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছেন। মুখ্যমন্ত্রী ভয় দিয়ে সন্ত্রাস দিয়ে জঙ্গলমহলকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন। জঙ্গলমহল কিন্তু ভুলবে না। উপযুক্ত জবাব দেবে। আমার দৃঢ়বিশ্বাস জঙ্গলমহলে তৃণমূল গোহারান হারবে। পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রাক্তন এই পুলিশ সুপারের দাবি, ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে ছত্রধর মাহাতোকে নামানো হয়েছে। এই ধরণের রাজনীতি টিকবে না বলেও মন্তব্য তাঁর।

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি। প্রতিবেদনের সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

ভারতী ঘোষের দাবি, সরকার থেকেই আশঙ্কার বাতাবরণ তৈরি করেছে। রাজ্যের মন্ত্রী জঙ্গলমহলে কি করতে যাচ্ছেন? ছত্রধর মাহাতোর সঙ্গে মিটিং করছেন কেন? আমরা সব খবর রাখি। বিজেপি বোকা আর ভীতু ভাবার কারণ নেই। সেখানকার মানুষ কিন্তু এই জিনিস ক্ষমা করবে না। যে রক্তাক্ত ইতিহাস সেখানকার বুকের উপর দিয়ে গেছে জঙ্গলমহল সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায় না। এর ফল তৃণমূল হাতেনাতে পাবে।” ভারতী ঘোষ আরও বলেন, আজকে সিএএ-র সমর্থনে হাওড়াতেও মানুষের ঢল নেমেছে। চারিদিকে জনসমুদ্র। মানুষ অপ্রচারের জবাব দিচ্ছেন। মমতার সরকারের সময় ঘনিয়ে এসেছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ