কলকাতা: ভোটের মুখে রাজ্য রাজনীতিতে সরগরম তৃণমূল-বিজেপি৷ উভয় দলের মিছিলেই ‘গোলি মারো’ স্লোগান শোনা গিয়েছে বলে অভিযোগ৷ এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, গোলি মারো স্লোগান আমরা সমর্থন করিনা৷

প্রসঙ্গত, বুধবার চন্দননগরের তালডাঙা থেকে জ্যোতির মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন শুভেন্দু অধিকারী৷ অভিযোগ ওই মিছিলের একটি অংশ থেকেই ওঠে ‘গোলি মারো’ স্লোগান৷ তার জেরে বৃহস্পতিবার ভোরে বিজেপির ৩ নেতাকে গ্রেফতার করে চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ৷

ধৃতরা হলেন, হুগলি জেলা বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউ, ব্যান্ডেল মণ্ডল যুব মোর্চার সভাপতি প্রভাত গুপ্ত এবং বিজেপির স্বাস্থ্য সেলের কনভেনার রবিন ঘোষ৷ এই বিষয় দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, পুলিশ দেখে দেখে বিজেপি নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করছে৷

একই স্লোগান কলকাতায় তৃণমূলের মিছিল থেকে উঠেছে,সেখানে পুলিশ নিশ্চুপ৷ তবে দিলীপবাবু তাদের নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা দিয়েছেন, ‘গোলি মারো’ স্লোগানকে সমর্থন করে না বিজেপি৷ চন্দননগরের ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন কুণাল ঘোষ। তার আগে মঙ্গলবারের ঘটনারও বিরোধিতা করেন তিনি। ‘অত্যুৎসাহী যুবকেরা’ এই ধরনের কাণ্ড ঘটিয়েছে বলেই দাবি করেছিলেন তিনি।

বুধবার বিজেপির মিছিলে গোলি মারো স্লোগান নিয়ে গেরুয়া শিবিরকেও খোঁচা কুণালবাবুর৷ মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতায় তৃণমূলের শান্তি মিছিলেও ‘বাংলার গদ্দারোকো গোলি মারো শালেকো’ স্লোগান শোনা যায় বলে অভিযোগ। রাজ্যের শাসক দলের মিছিল থেকে ওঠা এই স্লোগানের সমালোচনা করে বাম ও কংগ্রেস। তৃণমূলের মিছিল থেকে ওঠা ‘গোলি মারো’ স্লোগান নিয়ে সরব হয় বিজেপিও৷

অন্যদিকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের দাবি ওড়ালেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ‘ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা’, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে এসে এমনই মন্তব্য় করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

এরই পাশাপাশি এরাজ্যের সীমানায় মোতায়েন থাকা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তাবাহিনী বিএসএফ-এর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন পার্থবাবু।

বাংলায় বিধানসভা ভোটের ঢাকে কাঠি পড়েছে। রাজ্যের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে। এই আবহেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ আজ কলকাতায় দফায়-দফায় বৈঠক সারছেন পুলিশ, প্রশাসনিক কর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।