কলকাতা: শুক্রবার ভোরে উত্তরপ্রদেশের কানপুরে এনকাউন্টারে খতম কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবে। ৬০টিরও বেশি অপরাধমূলক মামলা ছিল বিকাশের নামে। কানপুরে ফেরার সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বিকাশ। আত্মসমর্পণ করতে বলে পুলিশ।

এরপরেও পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে ওই দুষ্কৃতী। পুলিশের পাল্টা গুলিতে বিকাশের মৃত্যু হয়। এনকাউন্টারে বিকাশকে খতম করায় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা।

এনকাউন্টারে বিকাশের মৃত্যুতে পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিজপি নেতা অনুপম হাজরা। সোশাল মিডিয়ায় করা পোস্টে অনুপম লিখেছেন, ‘থানায় ঢুকে মন্ত্রীকে হত্যা করা, কর্তব্যরত ৮ জন পুলিশকে খুন করা সহ আরও ৬০টি মামলায় অভিযুক্ত কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিকাশ দুবে পুলিশি এনকাউন্টারে খতম। জেলে বসে জামাই আদর করানোর খরচা এবং ভারতীয় বিচার-ব্যবস্থার মূল্যবান সময় বাঁচানোর জন্য উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ও যোগী সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন।’

বিকাশ দুবের মৃত্যুর ঘটনাকে অনেকেই ফেক এনকাউন্টার বলে বর্ণনা করেছেন। কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি-সহ একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করেই বিকাশকে খুন করেছে পুলিশ। ফেক এনকাউন্টারের তত্ত্ব খাড়া করেছেন অনেকে।

যদিও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। পালানোর সময় বিকাশকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। তবে সেই প্রস্তাবে সে রাজি না হয়ে পাল্টা পুলিশের দিকেই গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি চালালে বিকাশের মৃত্যু হয়।

কানপুরের মাফিয়া ডন বিকাশ দুবের এনকাউন্টারে মৃত্যু নিয়ে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রও। এদিন টুইটে কৃষ্ণনগরের সাংসদ লিখেছেন, ‘অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া পুলিশের কাজ নয়, এটা আদালতের বিষয়।’

প্রশ্ন অনেক: তৃতীয় পর্ব