কলকাতা : হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি নেতা আনিসুর রহমান মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি টিভি রাধাকৃষ্ণাণ ও বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করলেন আনিসুর রহমান।

আগামী সোমবার মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছরের ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে ছিল আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। ২০১৯ সালের দুর্গাপূজার নবমীর দিন রাতে পাঁশকুড়ার ব্লক সভাপতি কুরবান শাহ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হন আনিসুর রহমান।

কুরবানের খুনের ঘটনায় আনিসুরের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ প্রত্যাহারকে চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার দুপুরে কুরবান শাহের ভাগ্নে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এরই প্রেক্ষিতে আনিসুরের দাবি তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমনকি তমলুক আদালতের রায়ের কপি বিচারপতি দেখেননি, না দেখেই রায় দেওয়া হয়েছে।

আনিসুর এদিন আদালতকে জানান, কিসের ভিত্তিতে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি এবং তমলুক আদালতের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করলেন। আনিসুর রহমানের পক্ষের আইনজীবী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আনিসুর রহমানের বক্তব্য শোনা হয়নি।

তাঁদের দাবি তমলুক আদালতের নির্দেশ নামা বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য দেখেননি। একজন ব্যক্তির বক্তব্য না শুনে কিভাবে রায় দিলেন প্রশ্ন আনিসুর রহমানের আইনজীবীর। পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এক সময় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন আনিসুর রহমান। মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব আনিসুরকে এক ডাকে চিনতেন।

আর সেই আনিসুর রহমান পরবর্তীকালে বিজেপিতে যোগদান করেন। আর এরই কয়েক মাস পর এলাকার আরেক দাপুটে তৃণমূল নেতা কুরবান শাহ খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের তালিকায় নাম উঠে আসে বিজেপি নেতা আনিসুর রহমানের।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে দুষ্কৃতীদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হয় দলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বছর বত্রিশের জনপ্রিয় যুব নেতা কুরবান শাহ। সূত্রের খবর, ওই নেতা পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ও পাঁশকুড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। শুধু তাই নয় তাঁর স্ত্রী সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।