হাওড়াঃ  বছর ঘুরলেই ২০২১ এ রাজ্যের বিধানসভা ভোট। করোনা আবহে থমকে রয়েছে পুরভোটও। তার আগেই হাওড়ায় ভাঙন এবার পদ্ম ও কংগ্রেস শিবিরে। বিজেপি ও কংগ্রেস ছেড়ে এবার তৃণমূলে যোগ দিলেন প্রায় চার শতাধিক কর্মী সমর্থক। দলের প্রতি আস্থা হারিয়ে এরা তৃণমূলে যোগ দিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে এই দলবদলের ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ায়।

এদিন হাওড়ায় তৃণমূলের সদর কার্যালয়ে বিজেপি ও কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া চার শতাধিক ওই কর্মী-সমর্থকদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের জেলা সদর সভাপতি মন্ত্রী অরূপ রায়। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অনেকেই।

এদিন হাওড়ার পাঁচপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি ও কংগ্রেস সদস্যা, দক্ষিণ হাওড়া ৩ নম্বর মন্ডল বিজেপি নেতৃবৃন্দ, দক্ষিণ হাওড়া ৩ নম্বর মন্ডল বিজেপি যুবমোর্চা নেতৃবৃন্দ, ৪১ নম্বর ওয়ার্ড বিজেপি যুবমোর্চা নেতৃবৃন্দ সহ চার শতাধিক কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন।

এদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়। অরূপ রায় জানান, বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য, কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য, মন্ডলের নেতৃবৃন্দ, যুব মোর্চার নেতৃবৃন্দ সহ প্রায় চারশত কর্মী সমর্থক এদিন তৃণমূলে যোগদান করলেন। এরা তৃণমূলের নীতি, আদর্শ, শৃঙ্খলা মেনে দল করবেন। এরা আমাদের দলে যোগদান করতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। আমরা স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে এবং দক্ষিণ হাওড়া নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করে এদের দলে নিয়েছি।

অন্যদিকে, স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আগামী ২০২১ বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসছেই। মানুষ বুঝে গিয়েছে তৃণমূল কি? উন্নয়নের নামে ক্লাবকে টাকা, উৎসব চলেছে। বাংলার মানুষ ফের একবার বদল চায় বলে দাবি বিজেপির।

আর সেই কারণে এবার আর তৃণমূল নয়, বিজেপিকেই ক্ষমতায় দেখতে চায়। মোদীর নেতৃত্বে বাংলার উন্নতি দেখতে চায় মানুষ। কর্মসংস্থান থেকে শিল্প, মোদীর সবকা সাথ সবকা বিকাশেই সম্ভব বলে মনে করে বিজেপি নেতৃত্ব।

দল বদল প্রসঙ্গে এক বিজেপি নেতার দাবি, মানুষ সঙ্গে আছে। ভয় দেখিয়ে, পয়সার টোপ দিয়ে লোক ভাঙিয়ে কোনও লাভ নেই বলেই দাবি তাঁর। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি, সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে বিজেপির ভাঁওতাবাজি ছাড়া আর কিছু নেই। শুধু বাংলার মানুষই নয়, নেতা-কর্মীরাও সেখানে যোগ্য সম্মান পান না। আর সেই কারণেই নেতা-কর্মীরা বাংলার নেত্রী মমতার হাত শক্ত করছে বলে দাবি তৃণমূলের।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ