তেহট্ট: ‘‘তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে মতুয়ারা নাগরিকত্ব পাবেন না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মতুয়া দলপতিদের মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে।’’ শুক্রবার নদিয়ার তেহট্টে নির্বাচনী প্রচার সভায় মতুয়া মন পেতে ঢালাও আশ্বাস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের।

পঞ্চম দফার ভোটের প্রচারে রাজ্যে এসে শাসকদল তৃণমূলকে তুলোধনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। মতুয়া মন পেতে একুশের ভোটের আগে থেকেই চেষ্টার কসুর করেনি গেরুয়া শিবির। এবার রাজ্যে প্রচারে এসেও সেই তৎপরতা জারি রাখলেন অমিত শাহ। শুক্রবার নদিয়ার তেহট্টে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতা অমিত শাহ।

তেহট্টের বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় সংখ্যায় মতুয়াদের বাস। এই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটের ফলে বরাবরই নির্ণায়ক ভূমিকা নিয়ে এসেছেন মতুয়ারা। তাই এদিনের সভার শুরু থেকেই মতুয়া সমাজের প্রতি ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিতে থাকেন শাহ। একইসঙ্গে মতুয়াদের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন মতুয়াদের নাগরিকত্ব ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধে অমিত শাহ বলেন, ‘‘তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে মতুয়ারা নাগরিকত্ব পাবেন না। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। মতুয়াদের নাগরিকত্ব দিতে ১০০ কোটির তহবিল।’’ এছাড়াও রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মতুয়া দলপতিদের আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অমিত শাহ।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে মতুয়া দলপতিদের মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়া হবে।’’ অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করেছেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘‘অনুপ্রবেশকারীরা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। বিজেপি ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে না। ক্ষমতায় এলে শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি। তৃণমূল সরকারকে হঠানোই মূল লক্ষ্য।’’

রাজ্যে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে অশান্তি নিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনায় সরব অমিত শাহ। তৃণমূল সুপ্রিমোকে বিঁধে এদিন অমিত শাহ বলেন, ‘‘দিদি ভোটে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। ভাইপোর কল্যাণে কাজ করছেন দিদি।’’ দিন কয়েক আগেই রাজ্যে প্রথম ভোটের প্রচারে এসেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এদিন তেহট্টের নির্বাচনী প্রচার সভা থেকে নাম না করে রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেছেন শাহ। সোনিয়া-তনয়কে বিঁধে বিজেপির এই শীর্ষ নেতার কটাক্ষ, ‘‘৪ দফার ভোটের পর রাজ্যে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক এসেছেন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.