স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ শনিবার বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের কাঁকরডাঙ্গায় সংঘর্ষের ঘটনায় এই নেতার যুক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে৷ তারপরেই বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি তমাল কান্তি গুঁইকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রবিবার তাকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক প্রবীর মহাপাত্র তমাল কান্তি গুঁইয়ের চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে খবর গ্রেফতার হওয়া তমাল কান্তি গুঁইয়ের কাছ থেকে দু’টি পাইপ গান, একটি পিস্তল ও টাঙ্গি উদ্ধার করা হয়েছে৷ ইতিমধ্যে একাধিক ধারায় ঐ বিজেপি নেতার নামে অভিযোগ দায়ের করেছে পুলিশ বলে সূত্রের খবর৷

তবে ধৃত তমাল কান্তি গুঁইয়ের স্ত্রী শাশ্বতী গুঁইয়ের দাবি তার স্বামীকে পুলিশ মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। ওনার কাছ থেকে কোন ধরণের আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি দাবী করে তিনি বলেন, দোকান থেকে পুলিশ মারতে মারতে তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। তাঁর স্বামী নির্দোষ বলেও এদিন দাবি করেন তিনি৷

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পাত্রসায়রে দলীয় কর্মসূচী সেরে ফেরার পর পাত্রসায়রের কাঁকরডাঙ্গা মোড়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হন অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্র সহ তিন জন। রাতেই বছর তেরোর সৌমেন বাউরী, তাপস বাউরী ও টুলু খাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এই ঘটনার পর বিজেপি তাদের সমর্থকদের পুলিশের গুলি চালনার অভিযোগ তোলে।

রবিবার আহতদের দেখতে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান সিপিএমের এক প্রতিনিধি দল। ঐ প্রতিনিধি দলে সিপিএমের দুই বিধায়ক বড়জোড়ার সুজিত চক্রবর্ত্তী ও সোনামুখীর অজিত রায় সহ দলের মহিলা নেত্রী শিউলী মিদ্যা ছিলেন। এদিন তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও